নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে নিয়ে তীব্র সমালোচনামূলক মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু। তার দাবি, আইভী রাজনৈতিকভাবে কোনো ‘ফ্যাক্টর’ নন এবং সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন হলে তিনি মেয়র নির্বাচিত হতে পারবেন না।
টিপু বলেন, “Ivy is not a factor. Factor is public.” তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিএনপি জনগণের কাছে দলের অবস্থান তুলে ধরবে এবং দল যাকেই প্রার্থী দিক, তাকে নিয়েই নির্বাচনে অংশ নেবে।
আইভীর রাজনৈতিক পরিচয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, একজন ব্যক্তি ব্যক্তিগতভাবে ভালো কাজ করলেও যদি তিনি ‘ফ্যাসিস্টদের মদদপুষ্ট’ কোনো দলের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তাহলে তার রাজনৈতিক মানসিকতাও সেই ধারারই প্রতিফলন ঘটাবে।
উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে টিপু দাবি করেন, রাস্তাঘাট নির্মাণ বা অবকাঠামো উন্নয়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া, যা যেকোনো জনপ্রতিনিধির সময়েই অব্যাহত থাকে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, আইভীর সময়ে কিছু স্থাপনা নির্মাণ এবং খাল দখলের কারণে নগরবাসীর জলাবদ্ধতা সমস্যার উন্নতির বদলে দুর্ভোগ বেড়েছে। (উল্লেখ্য, এসব অভিযোগ তার ব্যক্তিগত বক্তব্য; এ বিষয়ে আইভীর পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া এখানে যুক্ত করা হয়নি।)
তিনি আরও বলেন, আইভীকে কখনোই ফ্ল্যাট বা প্লট তৈরির জন্য মেয়র নির্বাচিত করা হয়নি। তার মতে, কিছু উন্নয়ন কাজ করলেই জনগণের মনে স্থায়ী জায়গা তৈরি হয় না এবং তিনি আইভীকে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবেও গুরুত্ব দেন না।
স্থানীয় নির্বাচনের প্রসঙ্গে টিপু বলেন, আইভী স্বতন্ত্র প্রার্থী, আওয়ামী লীগের প্রার্থী কিংবা অন্য কোনো দলের প্রার্থী—যেই পরিচয়েই নির্বাচন করুন না কেন, এতে বিএনপির অবস্থানের পরিবর্তন হবে না। তার দাবি, অতীতে আইভীর নির্বাচনী সাফল্য বিএনপির কিছু নেতার ‘গাদ্দারি’, জামায়াতের ‘মুনাফিকি’ এবং কিছু ‘কিং মেকারের’ কারসাজির ফলেই এসেছে।
সবশেষে তিনি পুনরায় উল্লেখ করেন, তার দৃষ্টিতে আইভী রাজনৈতিকভাবে কোনো ফ্যাক্টর নন; বরং প্রকৃত ফ্যাক্টর হলো জনগণ এবং তাদের ভোটের সিদ্ধান্ত।

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে নিয়ে তীব্র সমালোচনামূলক মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু। তার দাবি, আইভী রাজনৈতিকভাবে কোনো ‘ফ্যাক্টর’ নন এবং সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন হলে তিনি মেয়র নির্বাচিত হতে পারবেন না।
টিপু বলেন, “Ivy is not a factor. Factor is public.” তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিএনপি জনগণের কাছে দলের অবস্থান তুলে ধরবে এবং দল যাকেই প্রার্থী দিক, তাকে নিয়েই নির্বাচনে অংশ নেবে।
আইভীর রাজনৈতিক পরিচয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, একজন ব্যক্তি ব্যক্তিগতভাবে ভালো কাজ করলেও যদি তিনি ‘ফ্যাসিস্টদের মদদপুষ্ট’ কোনো দলের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তাহলে তার রাজনৈতিক মানসিকতাও সেই ধারারই প্রতিফলন ঘটাবে।
উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে টিপু দাবি করেন, রাস্তাঘাট নির্মাণ বা অবকাঠামো উন্নয়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া, যা যেকোনো জনপ্রতিনিধির সময়েই অব্যাহত থাকে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, আইভীর সময়ে কিছু স্থাপনা নির্মাণ এবং খাল দখলের কারণে নগরবাসীর জলাবদ্ধতা সমস্যার উন্নতির বদলে দুর্ভোগ বেড়েছে। (উল্লেখ্য, এসব অভিযোগ তার ব্যক্তিগত বক্তব্য; এ বিষয়ে আইভীর পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া এখানে যুক্ত করা হয়নি।)
তিনি আরও বলেন, আইভীকে কখনোই ফ্ল্যাট বা প্লট তৈরির জন্য মেয়র নির্বাচিত করা হয়নি। তার মতে, কিছু উন্নয়ন কাজ করলেই জনগণের মনে স্থায়ী জায়গা তৈরি হয় না এবং তিনি আইভীকে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবেও গুরুত্ব দেন না।
স্থানীয় নির্বাচনের প্রসঙ্গে টিপু বলেন, আইভী স্বতন্ত্র প্রার্থী, আওয়ামী লীগের প্রার্থী কিংবা অন্য কোনো দলের প্রার্থী—যেই পরিচয়েই নির্বাচন করুন না কেন, এতে বিএনপির অবস্থানের পরিবর্তন হবে না। তার দাবি, অতীতে আইভীর নির্বাচনী সাফল্য বিএনপির কিছু নেতার ‘গাদ্দারি’, জামায়াতের ‘মুনাফিকি’ এবং কিছু ‘কিং মেকারের’ কারসাজির ফলেই এসেছে।
সবশেষে তিনি পুনরায় উল্লেখ করেন, তার দৃষ্টিতে আইভী রাজনৈতিকভাবে কোনো ফ্যাক্টর নন; বরং প্রকৃত ফ্যাক্টর হলো জনগণ এবং তাদের ভোটের সিদ্ধান্ত।

আপনার মতামত লিখুন