একটি কুচক্রি মহল চক্রান্ত করে আমাকে রাজনীতি থেকে দূরে সড়িয়ে দেওয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের ৬ নং ওয়ার্ডের বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী মো: রুহুল আমিন। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারী) বিকালে বিভিন্ন গনমাধ্যম কর্মীদের সাথে একান্ত আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপি নেতা মো: রুহুল আমিন বলেন, আমার রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক সফলতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি কুচক্রি মহল আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নষ্ট করার জন্য কুচক্রি মহলটি গনমাধ্যমকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তির অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমাকে রাজনীতি থেকে দুরে সড়িয়ে দেয়া যায়। সে মহলের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আমাকে ভালো রাস্তা থেকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে দূরে সড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করতেছেন। কারো বিরুদ্ধে প্রতিহিংসার রাজনীতি করবেন না। আপনারাও ভালো থাকেন, আমাদেরকেও ভালো থাকতে দেন।
আমি মো: রুহুল আমিন একজন ব্যবসায়ী। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়েছি। বিগত স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের আমলে নারায়ণগঞ্জ বিএনপির পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ অধ্যাপক মামুন মাহমুদের নেতৃত্বে আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছি। যা সকলেই অবগত আছেন। আমাকে কেন বিভ্রান্তিতে ফেলতে চাচ্ছে তা আমার বোধগম্য নয়। আমিও চাই কে বা কারা এই অপপ্রচার চালাচ্ছে তা বের হয়ে আসুক। আমার সম্পর্কে যাচাই-বাছাই না করে মিডিয়া কর্মী ভাইয়েরা সঠিকটা তুলে না ধরে একটা মানুষ তথ্য দিল আর তারা তা প্রচার করে দিল আমি নাকি মাদকের শেল্টার দেই।
রুহুল বলেন, পানি আক্তারের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই। নির্বাচন উপলক্ষ্যে অনেকেই ভোট দিয়েছে, অনেকেই আমার কাছে ফুলের মালা নিয়ে এসেছে। নাসিক ৬নং ওয়ার্ডে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির কার্যালয়। উক্ত কার্যালয়টি আমি দেখা-শুনা করি। এখানে অনেকে আসা-যাওয়া করে। কে, কি করে সেটা আমি জানি না। আমাকে জড়িয়ে হৃদয় নামে একটি ছেলেকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। সে যে আওয়ামীলীগ করেছে মিটিং মিছিলের কোন ছবি নাই এবং এমনকি তার নামে কোন মামলাও নাই। এবারও জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীককে ভোট দিয়েছে। তা তিনি তার নিজের ফেসবুকেও আপলোড করেছেন। তার বিরুদ্ধে নতুন করে একটি বৈষম্যবিরোধী মামলা দেয়া হল। আওয়ামীলীগ যদি কেউ করে থাকে তাদেরকে অন্যায় ও অন্ধকারের পথে জোড় করে হাটিয়েছে। এখন তারা ওই পথ থেকে বের হয়ে আসতে চায়। একটি গ্রুপ তাদেরকে থামিয়ে দিতে চায়। এই দেশটা সবার, যারা অন্যায় করেছে তারা সবাই পালিয়ে গেছে। আর যারা অন্যায় করেনি তারা দেশেই আছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে অনেকেই অনেকের ব্যবসা দখলের জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে এবং অনেকেই মামলা বাণিজ্য করেছে এটা সবাই জানে। সাংবাদিক ভাইয়েরা আপনারা যাচাই-বাছাই করেন যে, রুহুল কে? রুহুল মাদক ব্যবসা করে কি না? মাদকের সাথে জড়িত কি না? আপনারা যাচাই করে পত্রিকায় দেন। আপনারা যদি সত্যিটা তুলে না ধরেন তাহলে দেখবেন দেশ আগের মত অবস্থায় চলে গেছে। যেহেতে থানায় একটি অভিযোগ করলে তদন্ত করে মামলা নেয়, অনুরূপ আপনারও তদন্ত করে একটা নিউজ করেন। শুধু শুধু একটা মানুষকে হেয় প্রতিপন্ন কইরেন না।
স্থানীয় পত্রিকার সম্পাদকদের উদ্দেশ্যে রুহুল বলেন, আপনারা যে নিউজ করেন, একটু যাচাই-বাছাই করে করা উচিত। আওয়ামীলীগের আমলে যে ভাবে দেশটা চলেছে আমরা চাইনা ওই ভাবে দেশটা চলুক। সত্যিটা আপনারা তুলে ধরেন। আপনাদের কাছে আমার আকুল আবেদন, আপনরা সত্যের পথে থাকুন, মিথ্যার পথে না হাটুন। আপনারা জাতির বিবেক, তাই সেই বিষয়টি বিবেচনা করে জনস্বার্থে কাজ করুন্ তাহলেই মানুষ উপকৃত হবে।
















