নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতা ফেরদাউসুর রহমানের বক্তব্যকে ঘিরে। তিনি অভিযোগ করেছেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির কারণে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছেন।
সম্প্রতি এক বক্তব্যে ফেরদাউসুর রহমান বলেন, ফতুল্লা থানা এলাকায় আধিপত্যের লড়াই চলছে এবং এ কারণে অনেক সময় তাদের রাজনৈতিক কর্মীরা স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারেন না। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষও প্রশ্ন তোলেন—তাদের পাশে কারা অবস্থান করছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগে বিএনপির কয়েকজন নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হলেও পরে সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্টদের ছবি দিয়ে পোস্টার সাঁটানো হবে এবং প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। “ফতুল্লায় যত বড় নেতাই হোন না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না,”—এমন মন্তব্যও করেন তিনি।
ফেরদাউসুর রহমানের বক্তব্যে দুইজন স্থানীয় নেতাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। তারা হলেন রিয়াদ চৌধুরী ও মনিরুল আলম সেন্টু। নির্বাচনকে সামনে রেখে তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অতীতে একটি ডাইং কারখানার মালিককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে রিয়াদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল এবং তিনি কারাভোগও করেন। অন্যদিকে, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনায় মনিরুল আলম সেন্টুর বিরুদ্ধেও একাধিক মামলা দায়ের হয় বলে জানা যায়।
এদিকে বিএনপি নেতাদের দাবি, ফেরদাউসুর রহমানের এসব বক্তব্য রাজনৈতিকভাবে তাদের দলকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে দেওয়া হচ্ছে।

















