স্টাফ রিপোর্টারঃ নারায়ণগঞ্জের বন্দরের যুবলীগ নেতা অহিদুজ্জামান অহিদ এর অন্যতম আরও ২ সহযোগীকে গ্রে’প্তা’র করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো ডাকাত নোমান (৩৫) ও ডাকাত জাহিদ (৩২) ১৪ জানুয়ারী মদনপুর ইউনিয়নে পৃথক অ’ভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রে’প্তা’র করা হয়। তাদের গ্রেপ্তারে মদনপুর এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
তাদেরকে গ্রে’প্তা’রের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম মোক্তার আশরাফ উদ্দিন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) বিশেষ অ’ভিযানে মদনপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আ’ট’ক করা হয়েছে। পতিত সরকারের আমলে না’শ’ক’তা করার অভিযোগে ডাকাত নোমান ও ডাকাত জাহিদের বিরুদ্ধে একাধিক মা’ম’লা রয়েছে। বন্দর থানায় তাদের বিরুদ্ধে না’শ’ক’তার অভিযোগে একটি মা’ম’লায় তাদেরকে এজাহারভুক্ত আ’সা’মি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন ধামগড়, মুছাপুর, মদনপুর ইউনিয়ন ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২৬ ও ২৭নং ওয়ার্ড এলাকা অর্থাৎ বন্দরের উত্তরাঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ ছিল যুবলীগ নেতা অহিদুজ্জামান অহিদের হাতে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন সময় গত বছরের ৪ আগস্ট দুপুরে কেওঢালা ও মদনপুর এলাকায় যুবলীগ নেতা অহিদুজ্জামান অহিদের নেতৃত্বে ছাত্র-জনতার উপর হামলা ও গু’লিবর্ষণে দুইজন গু’লি’বিদ্ধসহ আহত হয়েছিল কমপক্ষে ৩০ জন । গু’লিবিদ্ধ এক শিক্ষার্থীর নাম আল আমিন (১৭)। সে মদনপুর রিয়াজুল উলুম আলিম মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের ছাত্র। তার পিতার শাহ আলম গাজী, চাঁনপুর হালিম মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া।
আহত শিক্ষার্থী আল আমিন জানান, গত ৪ আগস্ট সকাল ১০টা থেকেই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মদনপুর বাসস্ট্যান্ড ফুটওভার ব্রিজের নিচে অবস্থান করেছিলাম বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। দুপুর ১২টার দিকে কয়েক হাজার ছাত্র-জনতা একত্রিত হয়ে একটি মিছিল নিয়ে মহাসড়কের কেওঢালা বেঙ্গল বিস্কুট ফ্যাক্টরির সামনে পৌঁছাই। এ সময় যুবলীগ নেতা অহিদের নেতৃত্বে কয়েকশ’ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ছাত্র-জনতার মিছিলে হামলা ও প্রকাশ্যে গু’লি ছুঁড়ে। এসময় আমি সহ দুইজন গু’লিবিদ্ধ হই, আ’হ’ত হয় বহু। আহতদের স্থানীয় কয়েকটি হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এছাড়াও ওইদিন আন্দোলনকারীদের সহযোগিতা করার অভিযোগে অহিদুজ্জামানের নেতৃত্বে মদনপুর এলাকার ব্যবসায়ী আবু বক্কর সিদ্দিক এর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আ’গু’ন দিয়ে পু’ড়ি’য়ে দেওয়া হয়। এছাড়াও ওই সময় বন্দর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাজহারুল ইসলাম ভুঁইয়া হীরন, বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটি সদস্য নূর নবী, মদনপুর ইউনিয়ন যুবদল নেতা দিপু ভুইয়ার বাড়িতে হা’ম’লা চালিয়ে ভা’ঙ’চু’র চালানো হয়।



















