বি পি নিউজ ২৪

জলে ভাসছে কৃষকের ভাগ্য



জলে ভাসছে কৃষকের ভাগ্য
মোঃমিশন আলী,ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ গত তিন দিনের টানা বৃষ্টিতে ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলাসহ জেলার অধিকাংশ কৃষকের স্বপ্ন ধুলিসাৎ হয়ে গেছে। বৃষ্টির পানিতে ভেসে গেছে ধান ক্ষেত, ক্ষতি হয়েছে সবজি চাষেও। হরিনাকুন্ডু উপজেলার ভাতুড়িয়া গ্রামের কৃষক কবির হোসেন বলেন, আমার তিন বিঘা জমির ধান কেটে বিচেলী করার জন্য মাঠে রেখেছিলাম। দুদিন পরে গুছিয়ে আনার কথা ছিল। কিন্তু সেদিন থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এখন সব ধান পানিতে ভাসছে এবং পচে কল গজিয়ে যাচ্ছে। এমন অসহায়ত্বের কথা হাজারও কৃষকের । সাগরের লঘু চাপে সারাদেশেরে ন্যায় ঝিনাইদহে গত তিনদিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। কৃষকরা তাদের পাঁকাধান কাঁটার স্বপ্নে বিভোর ছিল। কিন্তু অনেক কৃষকের এখন মাথায় হাত। তারা ভাবছেন কিভাবে তাদের সারা বছরের খাবার ঘরে আসবে? এছাড়া মুলা, পালংসাক বাঁধাকপি, মরিচসহ অনেক কিছুই নষ্ট হয়ে গেছে। এরকম আরও দুই-একদিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে উপজেলার সত্তর ভাগ কৃষকের রাস্তায় বসতে হবে। এবিষয়ে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাফিজ হাসান বলেন, উপজেলায় ১১২০০ হেক্টর জমিতে এবছর আমনের আবাদ হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে কৃষকরা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মনিশংকর বিশ্বাস বলেন, পঁচন রোধে কোন ওযুধ স্প্রে করা যাবেনা কারণ এর বিষক্রিয়া খাদ্য থেকে দীর্ঘদিন নষ্ট হতে চাই না। জমির পানি দ্রুত বের করে দিতে হবে। আবহাওয়া ভাল হলে উল্টে পাল্টে শুকালে ক্ষতি কিছুটা কম হবে।

আপনার মতামত লিখুন

বি পি নিউজ ২৪

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬


জলে ভাসছে কৃষকের ভাগ্য

প্রকাশের তারিখ : ১৬ নভেম্বর ২০২১

featured Image
মোঃমিশন আলী,ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ গত তিন দিনের টানা বৃষ্টিতে ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলাসহ জেলার অধিকাংশ কৃষকের স্বপ্ন ধুলিসাৎ হয়ে গেছে। বৃষ্টির পানিতে ভেসে গেছে ধান ক্ষেত, ক্ষতি হয়েছে সবজি চাষেও। হরিনাকুন্ডু উপজেলার ভাতুড়িয়া গ্রামের কৃষক কবির হোসেন বলেন, আমার তিন বিঘা জমির ধান কেটে বিচেলী করার জন্য মাঠে রেখেছিলাম। দুদিন পরে গুছিয়ে আনার কথা ছিল। কিন্তু সেদিন থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এখন সব ধান পানিতে ভাসছে এবং পচে কল গজিয়ে যাচ্ছে। এমন অসহায়ত্বের কথা হাজারও কৃষকের । সাগরের লঘু চাপে সারাদেশেরে ন্যায় ঝিনাইদহে গত তিনদিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। কৃষকরা তাদের পাঁকাধান কাঁটার স্বপ্নে বিভোর ছিল। কিন্তু অনেক কৃষকের এখন মাথায় হাত। তারা ভাবছেন কিভাবে তাদের সারা বছরের খাবার ঘরে আসবে? এছাড়া মুলা, পালংসাক বাঁধাকপি, মরিচসহ অনেক কিছুই নষ্ট হয়ে গেছে। এরকম আরও দুই-একদিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে উপজেলার সত্তর ভাগ কৃষকের রাস্তায় বসতে হবে। এবিষয়ে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাফিজ হাসান বলেন, উপজেলায় ১১২০০ হেক্টর জমিতে এবছর আমনের আবাদ হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে কৃষকরা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মনিশংকর বিশ্বাস বলেন, পঁচন রোধে কোন ওযুধ স্প্রে করা যাবেনা কারণ এর বিষক্রিয়া খাদ্য থেকে দীর্ঘদিন নষ্ট হতে চাই না। জমির পানি দ্রুত বের করে দিতে হবে। আবহাওয়া ভাল হলে উল্টে পাল্টে শুকালে ক্ষতি কিছুটা কম হবে।

বি পি নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বি পি নিউজ