নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে স্থানীয়দের মাঝে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন চেয়ারম্যান জাকির হোসেন। তার উদ্যোগে চালু হওয়া ডিক্রিরচর ফেরিঘাট এখন শুধু একটি যাতায়াত মাধ্যম নয়, বরং আলীরটেকবাসীর জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তনের প্রতীক হয়ে উঠেছে।
২০২৩ সালের ১৪ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হওয়া ডিক্রিরচর ফেরিঘাটের মাধ্যমে আলীরটেক, বক্তাবলী, মুন্সিগঞ্জের বালুচর, মাওয়া ও পদ্মা সেতুর সঙ্গে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। স্থানীয়দের মতে, এ ঘাট দিয়ে প্রতিদিন প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ যাতায়াত করছে, যা এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে।
ফেরিঘাট চালুর ফলে বক্তাবলী হয়ে মুন্সিগঞ্জ ও পদ্মা সেতুর দিকে যাতায়াত যেমন সহজ হয়েছে, তেমনি কাশিপুর ও নরসিংপুর হয়ে নারায়ণগঞ্জ শহরে চলাচলেও বেড়েছে গতি। এতে সময়, ভাড়া এবং ভোগান্তি সবই কমেছে সাধারণ মানুষের।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার আগেই জাকির হোসেনের অন্যতম স্বপ্ন ছিল ডিক্রিরচরে ফেরিঘাট চালু করা, পরবর্তীতে সেখানে সেতু নির্মাণ এবং একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা। সেই প্রতিশ্রুতির প্রথম ধাপ বাস্তবায়ন করেই তিনি জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন।
ডিক্রিরচর এলাকায় ফেরিঘাট চালু করা মোটেও সহজ ছিল না। পাশের বক্তাবলী ইউনিয়নে আগে থেকেই ফেরিঘাট থাকায় নতুন ঘাট চালু করতে নানা প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও বাস্তব জটিলতা মোকাবিলা করতে হয়েছে। তবে সব বাধা অতিক্রম করে জাকির চেয়ারম্যান এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করায় স্থানীয়দের চোখে তিনি উন্নয়নের রূপকার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
আলীরটেকবাসীর অনেকেই মনে করছেন, ডিক্রিরচর ফেরিঘাট চালুর মাধ্যমে জাকির চেয়ারম্যান সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব করেছেন, যা তার প্রতি জনসমর্থন আরও বাড়িয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ আগামী নির্বাচনে জাকির চেয়ারম্যানের ভোটব্যাংক আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
স্থানীয়দের ভাষায়, “ডিক্রিরচর ফেরিঘাট শুধু একটি ঘাট নয়, এটি আলীরটেকবাসীর স্বপ্নপূরণ। আর এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাকির চেয়ারম্যানের অবদান তাকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে গেছে।”

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে স্থানীয়দের মাঝে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন চেয়ারম্যান জাকির হোসেন। তার উদ্যোগে চালু হওয়া ডিক্রিরচর ফেরিঘাট এখন শুধু একটি যাতায়াত মাধ্যম নয়, বরং আলীরটেকবাসীর জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তনের প্রতীক হয়ে উঠেছে।
২০২৩ সালের ১৪ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হওয়া ডিক্রিরচর ফেরিঘাটের মাধ্যমে আলীরটেক, বক্তাবলী, মুন্সিগঞ্জের বালুচর, মাওয়া ও পদ্মা সেতুর সঙ্গে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। স্থানীয়দের মতে, এ ঘাট দিয়ে প্রতিদিন প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ যাতায়াত করছে, যা এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে।
ফেরিঘাট চালুর ফলে বক্তাবলী হয়ে মুন্সিগঞ্জ ও পদ্মা সেতুর দিকে যাতায়াত যেমন সহজ হয়েছে, তেমনি কাশিপুর ও নরসিংপুর হয়ে নারায়ণগঞ্জ শহরে চলাচলেও বেড়েছে গতি। এতে সময়, ভাড়া এবং ভোগান্তি সবই কমেছে সাধারণ মানুষের।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার আগেই জাকির হোসেনের অন্যতম স্বপ্ন ছিল ডিক্রিরচরে ফেরিঘাট চালু করা, পরবর্তীতে সেখানে সেতু নির্মাণ এবং একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা। সেই প্রতিশ্রুতির প্রথম ধাপ বাস্তবায়ন করেই তিনি জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন।
ডিক্রিরচর এলাকায় ফেরিঘাট চালু করা মোটেও সহজ ছিল না। পাশের বক্তাবলী ইউনিয়নে আগে থেকেই ফেরিঘাট থাকায় নতুন ঘাট চালু করতে নানা প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও বাস্তব জটিলতা মোকাবিলা করতে হয়েছে। তবে সব বাধা অতিক্রম করে জাকির চেয়ারম্যান এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করায় স্থানীয়দের চোখে তিনি উন্নয়নের রূপকার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
আলীরটেকবাসীর অনেকেই মনে করছেন, ডিক্রিরচর ফেরিঘাট চালুর মাধ্যমে জাকির চেয়ারম্যান সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব করেছেন, যা তার প্রতি জনসমর্থন আরও বাড়িয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ আগামী নির্বাচনে জাকির চেয়ারম্যানের ভোটব্যাংক আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
স্থানীয়দের ভাষায়, “ডিক্রিরচর ফেরিঘাট শুধু একটি ঘাট নয়, এটি আলীরটেকবাসীর স্বপ্নপূরণ। আর এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাকির চেয়ারম্যানের অবদান তাকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে গেছে।”

আপনার মতামত লিখুন