নারায়ণগঞ্জের বন্দরে পুলিশের ওপর বর্বরোচিত হামলা ও শর্টগান ছিনতাইয়ের ঘটনার মূল হোতা শেখ সিফাত ও তাঁর বাহিনীর কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে সাধারণ ব্যবসায়ী ও মানুষ।
রোববার (১৭ মে) সাড়ে ৩ টার দিকে বন্দর রেললাইন এলাকার ‘ঢালী বিরিয়ানি হাউজে’ হামলা চালিয়ে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি এবং ক্যাশ থেকে নগদ ২ লক্ষ ২২ হাজার টাকা লুট করার অভিযোগ উঠেছে এই বাহিনীর বিরুদ্ধে।
দোকান মালিক রাজু ঢালী জানান, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শেখ সিফাতের নেতৃত্বে ৪-৫ জনের একটি সন্ত্রাসী দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দোকানে প্রবেশ করে। তারা প্রথমে টাকা না দিয়ে বিরিয়ানি খাওয়ার চেষ্টা করে এবং বাধা দিলে কর্মচারীদের মারধর শুরু করে। সন্ত্রাসীরা ক্যাশিয়ার বাদল ঢালীর কাছে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং টাকা না পেয়ে ক্যাশ বাক্স ভেঙে প্রায় ২ লক্ষ ২২ হাজার ২১০ টাকা ছিনিয়ে নেয়।
কয়েকদিন আগেই চৌধুরী বাড়ি এলাকায় ৯৯৯-এর কলে সাড়া দিতে গিয়ে এই সিফাত বাহিনীর হামলার শিকার হন এএসআই সোহেল ও কনস্টেবল ফয়সাল। পুলিশের সরকারি শর্টগান ছিনতাইয়ের মতো জঘন্য অপরাধের পরও এই বাহিনী এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানো এবং দোকানপাটে লুটতরাজ চালানোয় আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি দেখছেন বন্দরবাসী।
রাজু ঢালী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সন্ত্রাসীরা আমার ৩ কর্মচারীকে মারধর করেছে। প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে টাকা লুট করেছে। পুলিশের ওপর হামলার পর ওরা এখন আরও বেপরোয়া হয়ে গেছে। আমরা এখন ব্যবসায়ীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি।” এ ঘটনায় বন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

রোববার, ১৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে পুলিশের ওপর বর্বরোচিত হামলা ও শর্টগান ছিনতাইয়ের ঘটনার মূল হোতা শেখ সিফাত ও তাঁর বাহিনীর কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে সাধারণ ব্যবসায়ী ও মানুষ।
রোববার (১৭ মে) সাড়ে ৩ টার দিকে বন্দর রেললাইন এলাকার ‘ঢালী বিরিয়ানি হাউজে’ হামলা চালিয়ে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি এবং ক্যাশ থেকে নগদ ২ লক্ষ ২২ হাজার টাকা লুট করার অভিযোগ উঠেছে এই বাহিনীর বিরুদ্ধে।
দোকান মালিক রাজু ঢালী জানান, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শেখ সিফাতের নেতৃত্বে ৪-৫ জনের একটি সন্ত্রাসী দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দোকানে প্রবেশ করে। তারা প্রথমে টাকা না দিয়ে বিরিয়ানি খাওয়ার চেষ্টা করে এবং বাধা দিলে কর্মচারীদের মারধর শুরু করে। সন্ত্রাসীরা ক্যাশিয়ার বাদল ঢালীর কাছে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং টাকা না পেয়ে ক্যাশ বাক্স ভেঙে প্রায় ২ লক্ষ ২২ হাজার ২১০ টাকা ছিনিয়ে নেয়।
কয়েকদিন আগেই চৌধুরী বাড়ি এলাকায় ৯৯৯-এর কলে সাড়া দিতে গিয়ে এই সিফাত বাহিনীর হামলার শিকার হন এএসআই সোহেল ও কনস্টেবল ফয়সাল। পুলিশের সরকারি শর্টগান ছিনতাইয়ের মতো জঘন্য অপরাধের পরও এই বাহিনী এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানো এবং দোকানপাটে লুটতরাজ চালানোয় আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি দেখছেন বন্দরবাসী।
রাজু ঢালী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সন্ত্রাসীরা আমার ৩ কর্মচারীকে মারধর করেছে। প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে টাকা লুট করেছে। পুলিশের ওপর হামলার পর ওরা এখন আরও বেপরোয়া হয়ে গেছে। আমরা এখন ব্যবসায়ীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি।” এ ঘটনায় বন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন