বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নারায়ণগঞ্জ মহানগর তোলারাম কলেজ শাখার সভাপতি, সেক্রেটারি ও অর্থসম্পাদকের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমীর আবদুল জব্বার।
বুধবার (৫ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।
পোস্টে আবদুল জব্বার বলেন, ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের প্রতি তিনি শান্ত, ধৈর্যশীল ও আইনসম্মত আচরণ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি শান্ত রাখতে ছাত্রদল ও বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সংঘাত বৃদ্ধি পেলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির সুযোগ তৈরি হতে পারে, যা দেশের সার্বিক স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর। এতে বিতাড়িত স্বৈরশাসক গোষ্ঠী সুযোগ নিতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মহানগর জামায়াতের আমীর বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
তিনি তার পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে সহিংসতা, দমন-পীড়ন বা আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা গণতান্ত্রিক রাজনীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, আইনের শাসন ও পারস্পরিক সহনশীলতার মাধ্যমেই একটি সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নারায়ণগঞ্জ মহানগর তোলারাম কলেজ শাখার সভাপতি, সেক্রেটারি ও অর্থসম্পাদকের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমীর আবদুল জব্বার।
বুধবার (৫ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।
পোস্টে আবদুল জব্বার বলেন, ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের প্রতি তিনি শান্ত, ধৈর্যশীল ও আইনসম্মত আচরণ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি শান্ত রাখতে ছাত্রদল ও বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সংঘাত বৃদ্ধি পেলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির সুযোগ তৈরি হতে পারে, যা দেশের সার্বিক স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর। এতে বিতাড়িত স্বৈরশাসক গোষ্ঠী সুযোগ নিতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মহানগর জামায়াতের আমীর বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
তিনি তার পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে সহিংসতা, দমন-পীড়ন বা আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা গণতান্ত্রিক রাজনীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, আইনের শাসন ও পারস্পরিক সহনশীলতার মাধ্যমেই একটি সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন