বি পি নিউজ ২৪

একসময় গামছা-লুঙ্গি দিয়েও শীতলক্ষ্যায় মাছ ধরা যেত: এমপি আবুল কালাম


প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

একসময় গামছা-লুঙ্গি দিয়েও শীতলক্ষ্যায় মাছ ধরা যেত: এমপি আবুল কালাম

একসময় শীতলক্ষ্যার পানিতে ছিল দেশীয় মাছের প্রাচুর্য। নদীতে মাছ ধরার জন্য বড় কোনো সরঞ্জামেরও প্রয়োজন হতো না; গামছা কিংবা লুঙ্গি দিয়েই মাছ ধরা যেত। সময়ের ব্যবধানে সেই চিত্র বদলে গেছে। নদী তো বটেই, পুকুরেও এখন আগের মতো দেশীয় মাছের দেখা মেলে না। এমনকি নতুন প্রজন্মের অনেকেই হারিয়ে যেতে বসা এসব মাছের নামও জানে না।

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা তুলে ধরেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম।

রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাতীয় মৎস্য পক্ষের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।

বক্তব্যে নারায়ণগঞ্জের নদী ও জলাশয়কেন্দ্রিক পুরোনো মৎস্য ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করে এমপি আবুল কালাম বলেন, শৈশবে শীতলক্ষ্যা নদীতে প্রচুর দেশীয় মাছ পাওয়া যেত। খুব সহজেই সেসব মাছ ধরা সম্ভব ছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই ঐতিহ্য অনেকটাই হারিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, দেশীয় মাছের অনেক প্রজাতি এখন আর আগের মতো চোখে পড়ে না। এর ফলে বর্তমান প্রজন্মও এসব মাছ সম্পর্কে জানার সুযোগ হারাচ্ছে। তাই বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় মাছ সংরক্ষণ ও পুনরায় চাষের আওতায় আনার উদ্যোগ প্রয়োজন।

এ জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্থানীয় মৎস্যচাষিদের বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় প্রজাতির মাছ চাষে উৎসাহিত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা দিতে সংশ্লিষ্ট মৎস্য কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে আলোচনা পর্ব শেষ হওয়ার পর উপজেলা অডিটোরিয়াম এলাকা থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়। বিভিন্ন সড়ক ঘুরে র‌্যালিটি উপজেলা পরিষদ পুকুর এলাকায় পৌঁছায়। পরে উপজেলা পরিষদের পুকুরে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

মৎস্যসম্পদের সংরক্ষণ, দেশীয় প্রজাতির মাছের বিস্তার এবং স্থানীয় পর্যায়ে মৎস্যচাষকে আরও উৎসাহিত করার লক্ষ্যেই জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

বি পি নিউজ ২৪

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬


একসময় গামছা-লুঙ্গি দিয়েও শীতলক্ষ্যায় মাছ ধরা যেত: এমপি আবুল কালাম

প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

একসময় শীতলক্ষ্যার পানিতে ছিল দেশীয় মাছের প্রাচুর্য। নদীতে মাছ ধরার জন্য বড় কোনো সরঞ্জামেরও প্রয়োজন হতো না; গামছা কিংবা লুঙ্গি দিয়েই মাছ ধরা যেত। সময়ের ব্যবধানে সেই চিত্র বদলে গেছে। নদী তো বটেই, পুকুরেও এখন আগের মতো দেশীয় মাছের দেখা মেলে না। এমনকি নতুন প্রজন্মের অনেকেই হারিয়ে যেতে বসা এসব মাছের নামও জানে না।

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা তুলে ধরেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম।

রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাতীয় মৎস্য পক্ষের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।

বক্তব্যে নারায়ণগঞ্জের নদী ও জলাশয়কেন্দ্রিক পুরোনো মৎস্য ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করে এমপি আবুল কালাম বলেন, শৈশবে শীতলক্ষ্যা নদীতে প্রচুর দেশীয় মাছ পাওয়া যেত। খুব সহজেই সেসব মাছ ধরা সম্ভব ছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই ঐতিহ্য অনেকটাই হারিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, দেশীয় মাছের অনেক প্রজাতি এখন আর আগের মতো চোখে পড়ে না। এর ফলে বর্তমান প্রজন্মও এসব মাছ সম্পর্কে জানার সুযোগ হারাচ্ছে। তাই বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় মাছ সংরক্ষণ ও পুনরায় চাষের আওতায় আনার উদ্যোগ প্রয়োজন।

এ জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্থানীয় মৎস্যচাষিদের বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় প্রজাতির মাছ চাষে উৎসাহিত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা দিতে সংশ্লিষ্ট মৎস্য কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে আলোচনা পর্ব শেষ হওয়ার পর উপজেলা অডিটোরিয়াম এলাকা থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়। বিভিন্ন সড়ক ঘুরে র‌্যালিটি উপজেলা পরিষদ পুকুর এলাকায় পৌঁছায়। পরে উপজেলা পরিষদের পুকুরে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

মৎস্যসম্পদের সংরক্ষণ, দেশীয় প্রজাতির মাছের বিস্তার এবং স্থানীয় পর্যায়ে মৎস্যচাষকে আরও উৎসাহিত করার লক্ষ্যেই জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়।


বি পি নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বি পি নিউজ