আজ ৩ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান ও বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস। ২০০৭ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার তাকে গ্রেপ্তার করে কারাবন্দি করে। দীর্ঘ ৫৫৪ দিনের বন্দিজীবন শেষে ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি জামিনে মুক্ত হন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে গমন করেন।
২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি ও জাতীয়তাবাদী শক্তির নেতাকর্মীদের ওপর তীব্র রাজনৈতিক দমন-পীড়ন শুরু হয়। এমন এক প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ২০১০ সালে বিএনপির পক্ষ থেকে পেশাজীবীদের আনুষ্ঠানিকভাবে কারামুক্তি দিবস পালনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তৎকালীন সময়ে শাসকগোষ্ঠীর চোখরাঙানি উপেক্ষা করে চিকিৎসকদের সংগঠন ‘ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ (ড্যাব) এ আয়োজনে এগিয়ে আসে।
বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকলেও তৎকালীন ড্যাব নেতা ও বর্তমানে ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ডাঃ মোঃ আব্দুস সালামের নেতৃত্বে রংপুর মেডিকেল কলেজ সাহস নিয়ে দিবসটি পালনের ব্যাটন তুলে নেয়। অনুষ্ঠানটি সফল করতে গঠিত হয় ‘জাতীয়তাবাদী প্রাক্তন ছাত্র কল্যাণ পরিষদ, রংপুর মেডিকেল কলেজ’। আহ্বায়ক মনোনীত হন তৎকালীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) নেফ্রোলজি কোর্সের থিসিস পর্বের শিক্ষার্থী ডাঃ মোঃ ফরহাদ হাসান চৌধুরী।
পেশাগত ভবিষ্যৎ ও ডিগ্রি অর্জনে বাধার আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক প্রতিকূলতাকে তোয়াক্কা না করে দায়িত্ব পালন করেন ডাঃ ফরহাদ। ২০১০ সালের ৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হয় তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস, যা তৎকালীন সরকারের চরম অসন্তোষের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
পরবর্তী সময়ে এর মাসুল গুনতে হয় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হওয়া এই চিকিৎসককে। ২০১২ সালে নেফ্রোলজি ক্লিনিক্যাল বিষয়ে উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও টানা দুই বছর (তিন টার্ম) তাকে থিসিস পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত রাখা হয়। এছাড়া যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও ২০১৬ ও ২০১৯ সালে তাকে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়নি।
আজ ১৯তম কারামুক্তি দিবসে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং গণমানুষের অধিকার আদায়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে দেশবাসী। এই বিশেষ দিনে তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও দেশ পরিচালনায় সার্বিক সফলতা কামনা করা হচ্ছে।

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আজ ৩ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান ও বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস। ২০০৭ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার তাকে গ্রেপ্তার করে কারাবন্দি করে। দীর্ঘ ৫৫৪ দিনের বন্দিজীবন শেষে ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি জামিনে মুক্ত হন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে গমন করেন।
২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি ও জাতীয়তাবাদী শক্তির নেতাকর্মীদের ওপর তীব্র রাজনৈতিক দমন-পীড়ন শুরু হয়। এমন এক প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ২০১০ সালে বিএনপির পক্ষ থেকে পেশাজীবীদের আনুষ্ঠানিকভাবে কারামুক্তি দিবস পালনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তৎকালীন সময়ে শাসকগোষ্ঠীর চোখরাঙানি উপেক্ষা করে চিকিৎসকদের সংগঠন ‘ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ (ড্যাব) এ আয়োজনে এগিয়ে আসে।
বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকলেও তৎকালীন ড্যাব নেতা ও বর্তমানে ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ডাঃ মোঃ আব্দুস সালামের নেতৃত্বে রংপুর মেডিকেল কলেজ সাহস নিয়ে দিবসটি পালনের ব্যাটন তুলে নেয়। অনুষ্ঠানটি সফল করতে গঠিত হয় ‘জাতীয়তাবাদী প্রাক্তন ছাত্র কল্যাণ পরিষদ, রংপুর মেডিকেল কলেজ’। আহ্বায়ক মনোনীত হন তৎকালীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) নেফ্রোলজি কোর্সের থিসিস পর্বের শিক্ষার্থী ডাঃ মোঃ ফরহাদ হাসান চৌধুরী।
পেশাগত ভবিষ্যৎ ও ডিগ্রি অর্জনে বাধার আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক প্রতিকূলতাকে তোয়াক্কা না করে দায়িত্ব পালন করেন ডাঃ ফরহাদ। ২০১০ সালের ৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হয় তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস, যা তৎকালীন সরকারের চরম অসন্তোষের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
পরবর্তী সময়ে এর মাসুল গুনতে হয় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হওয়া এই চিকিৎসককে। ২০১২ সালে নেফ্রোলজি ক্লিনিক্যাল বিষয়ে উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও টানা দুই বছর (তিন টার্ম) তাকে থিসিস পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত রাখা হয়। এছাড়া যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও ২০১৬ ও ২০১৯ সালে তাকে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়নি।
আজ ১৯তম কারামুক্তি দিবসে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং গণমানুষের অধিকার আদায়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে দেশবাসী। এই বিশেষ দিনে তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও দেশ পরিচালনায় সার্বিক সফলতা কামনা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন