জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে বাসভাড়া বাড়ানোর প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে গণসংহতি আন্দোলন। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সংগঠনটির নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে শহরের প্রাণকেন্দ্রে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, সাধারণ মানুষের মতামত ও বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনায় না নিয়ে একতরফাভাবে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। তাদের দাবি, এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, পরিবহন ব্যয় ও কৃষি উৎপাদন খরচে।
বক্তারা বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ সাধারণ মানুষের ওপর পড়ছে। খেটে খাওয়া মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়ে যাওয়ায় অবিলম্বে বর্ধিত তেলের দাম প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।
একই সঙ্গে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিকে কারণ দেখিয়ে বাসভাড়া বাড়ানোর সমালোচনা করেন গণসংহতি আন্দোলনের নেতারা। তাদের ভাষ্য, প্রতিদিন এ পথে যাতায়াতকারী বিপুলসংখ্যক কর্মজীবী মানুষ বাড়তি ভাড়ার কারণে আর্থিক চাপের মুখে পড়ছেন।
বক্তারা অবিলম্বে বর্ধিত বাসভাড়া বাতিলের দাবি জানান। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে কার্যকরভাবে হাফপাস বা অর্ধেক ভাড়া চালুর আহ্বান জানান তারা।
সমাবেশ থেকে নেতৃবৃন্দ বলেন, সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা চাপিয়ে কোনো সুবিধাভোগী গোষ্ঠীকে লাভবান করার নীতি তারা মেনে নেবেন না। দ্রুত জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার এবং বাসভাড়া পুনর্নির্ধারণ না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আরও কর্মসূচি দেওয়ার কথা জানান তারা।
কর্মসূচিতে গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ এবং সংগঠনটির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে বাসভাড়া বাড়ানোর প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে গণসংহতি আন্দোলন। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সংগঠনটির নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে শহরের প্রাণকেন্দ্রে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, সাধারণ মানুষের মতামত ও বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনায় না নিয়ে একতরফাভাবে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। তাদের দাবি, এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, পরিবহন ব্যয় ও কৃষি উৎপাদন খরচে।
বক্তারা বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ সাধারণ মানুষের ওপর পড়ছে। খেটে খাওয়া মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়ে যাওয়ায় অবিলম্বে বর্ধিত তেলের দাম প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।
একই সঙ্গে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিকে কারণ দেখিয়ে বাসভাড়া বাড়ানোর সমালোচনা করেন গণসংহতি আন্দোলনের নেতারা। তাদের ভাষ্য, প্রতিদিন এ পথে যাতায়াতকারী বিপুলসংখ্যক কর্মজীবী মানুষ বাড়তি ভাড়ার কারণে আর্থিক চাপের মুখে পড়ছেন।
বক্তারা অবিলম্বে বর্ধিত বাসভাড়া বাতিলের দাবি জানান। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে কার্যকরভাবে হাফপাস বা অর্ধেক ভাড়া চালুর আহ্বান জানান তারা।
সমাবেশ থেকে নেতৃবৃন্দ বলেন, সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা চাপিয়ে কোনো সুবিধাভোগী গোষ্ঠীকে লাভবান করার নীতি তারা মেনে নেবেন না। দ্রুত জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার এবং বাসভাড়া পুনর্নির্ধারণ না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আরও কর্মসূচি দেওয়ার কথা জানান তারা।
কর্মসূচিতে গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ এবং সংগঠনটির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন