নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য ও অবৈধভাবে মজুদ রাখা ডিজেলসহ মোট ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৩০ মার্চ) দিনব্যাপী অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযানে সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৬৫ পুরিয়া হেরোইন ও ১৮৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া অবৈধভাবে মজুদ রাখা ১৮৫ লিটার ডিজেলসহ আরও একজনকে আটক করা হয়েছে। একইসঙ্গে চুরি ও অন্যান্য মামলায় জড়িত আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন— মুর্সিদ আলী (৪৩), মোহাম্মদ আলী (২০), রিয়াজ (৬০), মোস্তাফিজুর রহমান শোভন (২৫), আব্দুর রহিম ওরফে নাইম (৩০), নাসির ওরফে কালু (৪২), সাকিব (২৬), সোলায়মান (৪২), আমজাদ হোসেন (৪০), জুবায়ের (২৮) ও আবির (২৪)। এছাড়া চুরি ও অন্যান্য মামলায় রিয়াদ (২৮) ও রনি (২৮) নামের আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য ও অবৈধভাবে মজুদ রাখা ডিজেলসহ মোট ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৩০ মার্চ) দিনব্যাপী অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযানে সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৬৫ পুরিয়া হেরোইন ও ১৮৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া অবৈধভাবে মজুদ রাখা ১৮৫ লিটার ডিজেলসহ আরও একজনকে আটক করা হয়েছে। একইসঙ্গে চুরি ও অন্যান্য মামলায় জড়িত আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন— মুর্সিদ আলী (৪৩), মোহাম্মদ আলী (২০), রিয়াজ (৬০), মোস্তাফিজুর রহমান শোভন (২৫), আব্দুর রহিম ওরফে নাইম (৩০), নাসির ওরফে কালু (৪২), সাকিব (২৬), সোলায়মান (৪২), আমজাদ হোসেন (৪০), জুবায়ের (২৮) ও আবির (২৪)। এছাড়া চুরি ও অন্যান্য মামলায় রিয়াদ (২৮) ও রনি (২৮) নামের আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

আপনার মতামত লিখুন