নারায়ণগঞ্জে গত সাড়ে তিন মাসে হাম রোগের উপসর্গ নিয়ে ৭৯ জনকে সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। এ সময়ে জেলার বিভিন্ন হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন ৪৬ জন রোগী।
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পহেলা জানুয়ারি থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত চিকিৎসা শেষে ৩৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বাকিরা কেউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, আবার কেউ প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে অবস্থান করছেন। তবে রূপগঞ্জ উপজেলায় হাম আক্রান্ত দুই শিশু ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।
এ পরিস্থিতিতে হাম প্রতিরোধে বড় পরিসরের টিকাদান কর্মসূচি হাতে নিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। আসন্ন হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জে প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতিমূলক সভায় জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মুহম্মদ মুশিউর রহমান এসব তথ্য জানান। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে সিভিল সার্জন বলেন, আগামী ২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশের মতো নারায়ণগঞ্জেও একযোগে হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। এতে ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী সব শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
তিনি আরও জানান, বাড়ি বাড়ি গিয়ে, কমিউনিটি পর্যায়ে এবং নির্ধারিত টিকাকেন্দ্রের মাধ্যমে টিকা প্রদান করা হবে, যাতে কোনো শিশু বাদ না পড়ে।
কর্মসূচি সফল করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন, তথ্য অফিসসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা পরিষদের আওতাধীন এলাকায় ১২ দিন এবং সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ১৪ দিনের মধ্যে পুরো কার্যক্রম সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এদিকে, টিকাদান কার্যক্রম সফল করতে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে গত সাড়ে তিন মাসে হাম রোগের উপসর্গ নিয়ে ৭৯ জনকে সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। এ সময়ে জেলার বিভিন্ন হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন ৪৬ জন রোগী।
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পহেলা জানুয়ারি থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত চিকিৎসা শেষে ৩৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বাকিরা কেউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, আবার কেউ প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে অবস্থান করছেন। তবে রূপগঞ্জ উপজেলায় হাম আক্রান্ত দুই শিশু ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।
এ পরিস্থিতিতে হাম প্রতিরোধে বড় পরিসরের টিকাদান কর্মসূচি হাতে নিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। আসন্ন হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জে প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতিমূলক সভায় জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মুহম্মদ মুশিউর রহমান এসব তথ্য জানান। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে সিভিল সার্জন বলেন, আগামী ২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশের মতো নারায়ণগঞ্জেও একযোগে হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। এতে ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী সব শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
তিনি আরও জানান, বাড়ি বাড়ি গিয়ে, কমিউনিটি পর্যায়ে এবং নির্ধারিত টিকাকেন্দ্রের মাধ্যমে টিকা প্রদান করা হবে, যাতে কোনো শিশু বাদ না পড়ে।
কর্মসূচি সফল করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন, তথ্য অফিসসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা পরিষদের আওতাধীন এলাকায় ১২ দিন এবং সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ১৪ দিনের মধ্যে পুরো কার্যক্রম সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এদিকে, টিকাদান কার্যক্রম সফল করতে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন