জ্বালানি তেলের সংকটের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে নারায়ণগঞ্জের ফিলিং স্টেশনগুলোতে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় জেলার বেশিরভাগ পাম্পে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তেল নিতে গ্রাহকদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে, কোথাও কোথাও সেই লাইন আধা কিলোমিটার ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
অনেক ক্ষেত্রে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরও তেল না পেয়ে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে গ্রাহকদের। কিছু পাম্পে তেল ফুরিয়ে যাওয়ায় বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে, আবার অনেক স্টেশন টানা ৩-৪ দিন বন্ধ রয়েছে। জেলার মোট ৫৫টি ফিলিং স্টেশনের বড় একটি অংশই জ্বালানি সংকটে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন পাম্প ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সংকটকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পাম্পে উত্তেজনা ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাও ঘটছে। পাম্প মালিক ও কর্মচারীরা প্রায়ই ঝামেলার মুখে পড়ছেন। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা বাড়ছে। অভিযোগ রয়েছে, কেউ কেউ একাধিকবার তেল নেওয়ার চেষ্টা করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। অনেক সময় তেল শেষ হয়ে গেলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ছে, যা সামাল দিতে স্থানীয় থানার সহায়তা নিতে হচ্ছে।
পাম্পে আসা গ্রাহকদের অভিযোগ, অধিকাংশ স্টেশনে পেট্রোল ও অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না, এমনকি ডিজেলেও ঘাটতি দেখা দিয়েছে। কিছু পাম্পে সীমিত পরিমাণে তেল দেওয়া হলেও দীর্ঘ অপেক্ষার পরও অনেকেই তা পাচ্ছেন না।
অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশন মালিকদের দাবি—ডিপো থেকে নিয়মিত তেল সরবরাহ না পাওয়ায় তারা সংকটে পড়েছেন। তারা জানান, যখনই তেল পান তখনই বিক্রি শুরু করেন, তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তা শেষ হয়ে যায়। ডিপো থেকে অনিয়মিত ও সীমিত সরবরাহ পাওয়ায় চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ৪টি ডিপো ও জেলার ৫৫টি ফিলিং স্টেশন নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। অনিয়মের অভিযোগে কয়েকটি স্টেশন ও সরবরাহকারীকে জরিমানাও করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, জেলায় জ্বালানির সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। ডিপোগুলোর নিরাপত্তায় সেনাবাহিনীর পাশাপাশি পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন রয়েছে এবং প্রতিটি স্টেশনের মজুদ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
জ্বালানি তেলের সংকটের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে নারায়ণগঞ্জের ফিলিং স্টেশনগুলোতে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় জেলার বেশিরভাগ পাম্পে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তেল নিতে গ্রাহকদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে, কোথাও কোথাও সেই লাইন আধা কিলোমিটার ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
অনেক ক্ষেত্রে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরও তেল না পেয়ে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে গ্রাহকদের। কিছু পাম্পে তেল ফুরিয়ে যাওয়ায় বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে, আবার অনেক স্টেশন টানা ৩-৪ দিন বন্ধ রয়েছে। জেলার মোট ৫৫টি ফিলিং স্টেশনের বড় একটি অংশই জ্বালানি সংকটে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন পাম্প ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সংকটকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পাম্পে উত্তেজনা ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাও ঘটছে। পাম্প মালিক ও কর্মচারীরা প্রায়ই ঝামেলার মুখে পড়ছেন। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা বাড়ছে। অভিযোগ রয়েছে, কেউ কেউ একাধিকবার তেল নেওয়ার চেষ্টা করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। অনেক সময় তেল শেষ হয়ে গেলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ছে, যা সামাল দিতে স্থানীয় থানার সহায়তা নিতে হচ্ছে।
পাম্পে আসা গ্রাহকদের অভিযোগ, অধিকাংশ স্টেশনে পেট্রোল ও অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না, এমনকি ডিজেলেও ঘাটতি দেখা দিয়েছে। কিছু পাম্পে সীমিত পরিমাণে তেল দেওয়া হলেও দীর্ঘ অপেক্ষার পরও অনেকেই তা পাচ্ছেন না।
অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশন মালিকদের দাবি—ডিপো থেকে নিয়মিত তেল সরবরাহ না পাওয়ায় তারা সংকটে পড়েছেন। তারা জানান, যখনই তেল পান তখনই বিক্রি শুরু করেন, তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তা শেষ হয়ে যায়। ডিপো থেকে অনিয়মিত ও সীমিত সরবরাহ পাওয়ায় চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ৪টি ডিপো ও জেলার ৫৫টি ফিলিং স্টেশন নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। অনিয়মের অভিযোগে কয়েকটি স্টেশন ও সরবরাহকারীকে জরিমানাও করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, জেলায় জ্বালানির সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। ডিপোগুলোর নিরাপত্তায় সেনাবাহিনীর পাশাপাশি পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন রয়েছে এবং প্রতিটি স্টেশনের মজুদ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন