নারায়ণগঞ্জ শহরের ফুটপাত হকারমুক্ত করতে বর্তমান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক উদ্যোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে শহরের ফুটপাত দখল, যানজট ও জনভোগান্তির অভিযোগে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পক্ষ থেকে হকার উচ্ছেদের দাবি উঠলেও বাস্তবায়ন নিয়ে ছিল নানা চ্যালেঞ্জ।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও তৎকালীন সিটি মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী ফুটপাত দখলমুক্ত করার উদ্যোগ নিলেও তা পুরোপুরি সফল হয়নি বলে স্থানীয়দের দাবি। ওই সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক বিরোধ ও সংঘাতের কারণে অভিযান বারবার ব্যাহত হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে ১৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে হকার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হলে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো অনেকটা ফাঁকা দেখা যায়। এরপর থেকেই নতুন করে শহরবাসীর মধ্যে স্বস্তি ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে একযোগে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের দাবি, শহরের যানজট নিরসন ও জনসাধারণের চলাচল নির্বিঘ্ন করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
আবুল কালাম বলেন, “ফুটপাতে কোনোভাবেই হকার বসতে দেওয়া হবে না। যৌথভাবে নিয়মিত অভিযান চলবে এবং নগরবাসীর সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।”
অন্যদিকে প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান জানান, হকার উচ্ছেদ কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চলবে এবং আইন অমান্য করে কেউ ফুটপাত দখল করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, নগরবাসীর স্বার্থে সুশৃঙ্খল ও হকারমুক্ত শহর গড়ে তুলতে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।
এদিকে নগরবাসীর একাংশ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও এর স্থায়িত্ব ও বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্নও তুলছেন অনেকে। অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে তারা মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদি সমাধান না হলে পরিস্থিতি আবারও আগের মতো হয়ে যেতে পারে।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ শহরের ফুটপাত হকারমুক্ত করতে বর্তমান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক উদ্যোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে শহরের ফুটপাত দখল, যানজট ও জনভোগান্তির অভিযোগে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পক্ষ থেকে হকার উচ্ছেদের দাবি উঠলেও বাস্তবায়ন নিয়ে ছিল নানা চ্যালেঞ্জ।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও তৎকালীন সিটি মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী ফুটপাত দখলমুক্ত করার উদ্যোগ নিলেও তা পুরোপুরি সফল হয়নি বলে স্থানীয়দের দাবি। ওই সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক বিরোধ ও সংঘাতের কারণে অভিযান বারবার ব্যাহত হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে ১৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে হকার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হলে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো অনেকটা ফাঁকা দেখা যায়। এরপর থেকেই নতুন করে শহরবাসীর মধ্যে স্বস্তি ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে একযোগে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের দাবি, শহরের যানজট নিরসন ও জনসাধারণের চলাচল নির্বিঘ্ন করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
আবুল কালাম বলেন, “ফুটপাতে কোনোভাবেই হকার বসতে দেওয়া হবে না। যৌথভাবে নিয়মিত অভিযান চলবে এবং নগরবাসীর সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।”
অন্যদিকে প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান জানান, হকার উচ্ছেদ কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চলবে এবং আইন অমান্য করে কেউ ফুটপাত দখল করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, নগরবাসীর স্বার্থে সুশৃঙ্খল ও হকারমুক্ত শহর গড়ে তুলতে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।
এদিকে নগরবাসীর একাংশ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও এর স্থায়িত্ব ও বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্নও তুলছেন অনেকে। অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে তারা মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদি সমাধান না হলে পরিস্থিতি আবারও আগের মতো হয়ে যেতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন