নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার শীতলক্ষ্যা নদীর তীরবর্তী প্রায় ৫০০ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় স্থাপনা কদম রসূল দরগাহ শরীফ পরিদর্শন করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম এবং জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. রায়হান কবির।
শুক্রবার (১৯ জুন) জুমার নামাজের পর তাঁরা দরগাহ প্রাঙ্গণে গিয়ে পবিত্র পদচিহ্ন জিয়ারত করেন। এ সময় স্থাপনাটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, বর্তমান অবস্থা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সংরক্ষণ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
দরগাহ শরীফের মুতাওয়াল্লি ও খাদেমরা অতিথিদের স্বাগত জানান এবং কদম রসূল দরগাহের ইতিহাস ও ধর্মীয় গুরুত্ব সম্পর্কে অবহিত করেন।
পরিদর্শনে আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক সচিব ও মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাওসার আশা, বন্দর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক রানা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা ফেরদৌস ওয়াহিদ সুমন, বন্দর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা।
ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র পদচিহ্ন সংবলিত একটি পাথরকে কেন্দ্র করেই কদম রসূল দরগাহ প্রতিষ্ঠিত হয়। ইতিহাসবিদদের মতে, সম্রাট আকবরের বিদ্রোহী আফগান সর্দার মাসুম খান কাবুলী আরব বণিকদের কাছ থেকে পদচিহ্নটি সংগ্রহ করে এখানে স্থাপন করেন। পরবর্তীতে ১৭৭৭-৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার জমিদার গোলাম নবী এক গম্বুজবিশিষ্ট মাজার নির্মাণ করেন এবং ১৮০৫ সালে তাঁর পুত্র গোলাম মোহাম্মদ দরগাহর সুদৃশ্য তোরণ নির্মাণ করেন। বর্তমানে পবিত্র পদচিহ্নটি গোলাপজলে সংরক্ষিত রয়েছে।
পরিদর্শন শেষে এমপি আবুল কালাম ও জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, কদম রসূল দরগাহ নারায়ণগঞ্জের পাশাপাশি সমগ্র দেশের ঐতিহ্য ও মুসলিম সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। এর উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ধর্মীয় মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার শীতলক্ষ্যা নদীর তীরবর্তী প্রায় ৫০০ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় স্থাপনা কদম রসূল দরগাহ শরীফ পরিদর্শন করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম এবং জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. রায়হান কবির।
শুক্রবার (১৯ জুন) জুমার নামাজের পর তাঁরা দরগাহ প্রাঙ্গণে গিয়ে পবিত্র পদচিহ্ন জিয়ারত করেন। এ সময় স্থাপনাটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, বর্তমান অবস্থা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সংরক্ষণ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
দরগাহ শরীফের মুতাওয়াল্লি ও খাদেমরা অতিথিদের স্বাগত জানান এবং কদম রসূল দরগাহের ইতিহাস ও ধর্মীয় গুরুত্ব সম্পর্কে অবহিত করেন।
পরিদর্শনে আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক সচিব ও মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাওসার আশা, বন্দর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক রানা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা ফেরদৌস ওয়াহিদ সুমন, বন্দর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা।
ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র পদচিহ্ন সংবলিত একটি পাথরকে কেন্দ্র করেই কদম রসূল দরগাহ প্রতিষ্ঠিত হয়। ইতিহাসবিদদের মতে, সম্রাট আকবরের বিদ্রোহী আফগান সর্দার মাসুম খান কাবুলী আরব বণিকদের কাছ থেকে পদচিহ্নটি সংগ্রহ করে এখানে স্থাপন করেন। পরবর্তীতে ১৭৭৭-৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার জমিদার গোলাম নবী এক গম্বুজবিশিষ্ট মাজার নির্মাণ করেন এবং ১৮০৫ সালে তাঁর পুত্র গোলাম মোহাম্মদ দরগাহর সুদৃশ্য তোরণ নির্মাণ করেন। বর্তমানে পবিত্র পদচিহ্নটি গোলাপজলে সংরক্ষিত রয়েছে।
পরিদর্শন শেষে এমপি আবুল কালাম ও জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, কদম রসূল দরগাহ নারায়ণগঞ্জের পাশাপাশি সমগ্র দেশের ঐতিহ্য ও মুসলিম সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। এর উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ধর্মীয় মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন