অভাব আর শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই কষ্ট করে চলছিলেন ১১৫ বছর বয়সী হাসান আলী। চলাফেরার জন্য একটি কাঠের টুকরোকেই অবলম্বন হিসেবে ব্যবহার করতেন তিনি। রূপগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসার পর তাঁর সেই দুর্ভোগ কিছুটা লাঘবের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গন্ধবপুর এলাকার তারাব পৌরসভার বাসিন্দা হাসান আলী আজ রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদে আসেন। শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে তাঁর একটি পা নেই। বয়সের ভার ও শারীরিক অসুবিধার মধ্যেও মানুষের সহযোগিতা নিয়ে দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে হয় তাঁকে।
উপজেলা প্রশাসনে আসার পর তাঁর অসহায় অবস্থার বিষয়টি রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলামের নজরে পড়ে। বিষয়টি জানার পর অপেক্ষা না করে হাসান আলীর চলাচলের সুবিধার জন্য একটি হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা করেন তিনি। পাশাপাশি তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় আর্থিক সহায়তাও।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রশাসনিক দায়িত্বের পাশাপাশি সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়ানোও মানবিক দায়িত্বের অংশ। হাসান আলীর মতো মানুষের জীবনযাত্রা কিছুটা সহজ করতে তাৎক্ষণিক সহায়তার এই উদ্যোগ সেই দায়িত্ববোধেরই প্রতিফলন।
দীর্ঘদিন ধরে কাঠের টুকরোর সাহায্যে চলাফেরা করা হাসান আলীর জন্য হুইলচেয়ারটি শুধু একটি সহায়ক উপকরণ নয়; এটি তাঁর চলাচলে স্বস্তি আনার পাশাপাশি দৈনন্দিন জীবনে কিছুটা স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেওয়ার সুযোগ তৈরি করবে।
রূপগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দরিদ্র, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রয়োজনের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে ভবিষ্যতেও মানবিক সহায়তা ও প্রশাসনিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
অভাব আর শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই কষ্ট করে চলছিলেন ১১৫ বছর বয়সী হাসান আলী। চলাফেরার জন্য একটি কাঠের টুকরোকেই অবলম্বন হিসেবে ব্যবহার করতেন তিনি। রূপগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসার পর তাঁর সেই দুর্ভোগ কিছুটা লাঘবের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গন্ধবপুর এলাকার তারাব পৌরসভার বাসিন্দা হাসান আলী আজ রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদে আসেন। শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে তাঁর একটি পা নেই। বয়সের ভার ও শারীরিক অসুবিধার মধ্যেও মানুষের সহযোগিতা নিয়ে দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে হয় তাঁকে।
উপজেলা প্রশাসনে আসার পর তাঁর অসহায় অবস্থার বিষয়টি রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলামের নজরে পড়ে। বিষয়টি জানার পর অপেক্ষা না করে হাসান আলীর চলাচলের সুবিধার জন্য একটি হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা করেন তিনি। পাশাপাশি তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় আর্থিক সহায়তাও।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রশাসনিক দায়িত্বের পাশাপাশি সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়ানোও মানবিক দায়িত্বের অংশ। হাসান আলীর মতো মানুষের জীবনযাত্রা কিছুটা সহজ করতে তাৎক্ষণিক সহায়তার এই উদ্যোগ সেই দায়িত্ববোধেরই প্রতিফলন।
দীর্ঘদিন ধরে কাঠের টুকরোর সাহায্যে চলাফেরা করা হাসান আলীর জন্য হুইলচেয়ারটি শুধু একটি সহায়ক উপকরণ নয়; এটি তাঁর চলাচলে স্বস্তি আনার পাশাপাশি দৈনন্দিন জীবনে কিছুটা স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেওয়ার সুযোগ তৈরি করবে।
রূপগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দরিদ্র, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রয়োজনের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে ভবিষ্যতেও মানবিক সহায়তা ও প্রশাসনিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে।

আপনার মতামত লিখুন