নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে পূর্বের বিরোধের জেরে হামলার ঘটনায় মো. সজীব (৩০) নামে এক পরিবহন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। প্রাথমিকভাবে টাকা-পয়সার লেনদেন নিয়ে বিরোধের সূত্র ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ১২টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল ক্যানেলপাড় এলাকায় একটি চায়ের দোকানের সামনে ঘটনাটি ঘটে।
নিহত সজীব গোদনাইল নয়াপাড়া এলাকার মো. জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে। তিনি তেলবাহী একটি গাড়ির চালকের সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গোদনাইল ক্যানেলপাড় এলাকায় কয়েকজনের সঙ্গে সজীবের কথা-কাটাকাটি ও বিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে তিনি ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন।
পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি এমদাদুল হক বলেন, নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। টাকা-পয়সার লেনদেন নিয়ে কয়েকজনের সঙ্গে তার বিরোধ ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। সেই বিরোধের জেরেই হত্যার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
তিনি আরও জানান, ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কয়েকজনের নাম পুলিশ জানতে পেরেছে এবং তাদের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি এবং কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে পূর্বের বিরোধের জেরে হামলার ঘটনায় মো. সজীব (৩০) নামে এক পরিবহন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। প্রাথমিকভাবে টাকা-পয়সার লেনদেন নিয়ে বিরোধের সূত্র ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ১২টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল ক্যানেলপাড় এলাকায় একটি চায়ের দোকানের সামনে ঘটনাটি ঘটে।
নিহত সজীব গোদনাইল নয়াপাড়া এলাকার মো. জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে। তিনি তেলবাহী একটি গাড়ির চালকের সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গোদনাইল ক্যানেলপাড় এলাকায় কয়েকজনের সঙ্গে সজীবের কথা-কাটাকাটি ও বিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে তিনি ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন।
পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি এমদাদুল হক বলেন, নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। টাকা-পয়সার লেনদেন নিয়ে কয়েকজনের সঙ্গে তার বিরোধ ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। সেই বিরোধের জেরেই হত্যার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
তিনি আরও জানান, ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কয়েকজনের নাম পুলিশ জানতে পেরেছে এবং তাদের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি এবং কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন