নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজিব বলেছেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কেউ কটাক্ষ বা অশ্রদ্ধা করলে তার মোকাবিলা করা মুসলমানদের ঈমানি দায়িত্ব। তবে এ দায়িত্ব পালনে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ ও শিক্ষাকেই অনুসরণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে নারায়ণগঞ্জ শহরের নিতাইগঞ্জে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত জশনে জুলুস অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রাজিব বলেন, মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও সম্মান মুসলমানদের ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাঁর প্রতি সামান্য অশ্রদ্ধা বা কটূক্তিও ধর্মপ্রাণ মানুষের অনুভূতিতে আঘাত করে। ইসলাম আদব-কায়দা, সত্যবাদিতা ও নৈতিকতার শিক্ষা দেয়। এসব মূল্যবোধ রক্ষা করা প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, ইসলামের ইতিহাসে বিভিন্ন সময়ে ধর্মের মূল শিক্ষা থেকে মানুষকে বিচ্যুত করার নানা প্রচেষ্টা দেখা গেছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের পরিস্থিতি থাকতে পারে। তাই বিভ্রান্তি থেকে বাঁচতে মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শকে অনুসরণ করাই সঠিক পথ।
রাজিব বলেন, নবীর আদর্শের বাইরে কোনো নির্দেশনা বা ফতোয়া গ্রহণ করার সুযোগ নেই। ধর্মীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কোরআন-সুন্নাহ ও মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শকে গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের ধর্মীয় আবেগকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এসব বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে ইসলামি চিন্তাবিদদের বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা ও সঠিক দিকনির্দেশনা প্রয়োজন।
আরবি ভাষা ও ইসলামী জ্ঞান সম্পর্কে সাধারণ মানুষের সীমাবদ্ধতার সুযোগ নিয়ে অনেক সময় ভুল তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ কারণে ধর্মীয় বিষয়ে সঠিক জ্ঞান অর্জন এবং যাচাই করা তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন রাজিব।
তিনি বলেন, ‘আমাদের রাসুলকে কেউ কটাক্ষ করলে তার মোকাবিলা করা আমাদের ঈমানি দায়িত্ব। আর এই দায়িত্ব পালন করতে হবে নবীর আদর্শ দিয়েই।’
ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন কমিটি নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি মোহাম্মদ সোহাগের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জশনে জুলুস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইমামে আহলে সুন্নাত আল্লামা সৈয়দ বাহাদুর শাহ মোজাদ্দেদী আল আবেদী।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা ছাত্রদলের সাবেক নেতা জাকির খানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি, নৈতিকতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজিব বলেছেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কেউ কটাক্ষ বা অশ্রদ্ধা করলে তার মোকাবিলা করা মুসলমানদের ঈমানি দায়িত্ব। তবে এ দায়িত্ব পালনে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ ও শিক্ষাকেই অনুসরণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে নারায়ণগঞ্জ শহরের নিতাইগঞ্জে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত জশনে জুলুস অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রাজিব বলেন, মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও সম্মান মুসলমানদের ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাঁর প্রতি সামান্য অশ্রদ্ধা বা কটূক্তিও ধর্মপ্রাণ মানুষের অনুভূতিতে আঘাত করে। ইসলাম আদব-কায়দা, সত্যবাদিতা ও নৈতিকতার শিক্ষা দেয়। এসব মূল্যবোধ রক্ষা করা প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, ইসলামের ইতিহাসে বিভিন্ন সময়ে ধর্মের মূল শিক্ষা থেকে মানুষকে বিচ্যুত করার নানা প্রচেষ্টা দেখা গেছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের পরিস্থিতি থাকতে পারে। তাই বিভ্রান্তি থেকে বাঁচতে মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শকে অনুসরণ করাই সঠিক পথ।
রাজিব বলেন, নবীর আদর্শের বাইরে কোনো নির্দেশনা বা ফতোয়া গ্রহণ করার সুযোগ নেই। ধর্মীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কোরআন-সুন্নাহ ও মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শকে গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের ধর্মীয় আবেগকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এসব বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে ইসলামি চিন্তাবিদদের বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা ও সঠিক দিকনির্দেশনা প্রয়োজন।
আরবি ভাষা ও ইসলামী জ্ঞান সম্পর্কে সাধারণ মানুষের সীমাবদ্ধতার সুযোগ নিয়ে অনেক সময় ভুল তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ কারণে ধর্মীয় বিষয়ে সঠিক জ্ঞান অর্জন এবং যাচাই করা তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন রাজিব।
তিনি বলেন, ‘আমাদের রাসুলকে কেউ কটাক্ষ করলে তার মোকাবিলা করা আমাদের ঈমানি দায়িত্ব। আর এই দায়িত্ব পালন করতে হবে নবীর আদর্শ দিয়েই।’
ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন কমিটি নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি মোহাম্মদ সোহাগের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জশনে জুলুস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইমামে আহলে সুন্নাত আল্লামা সৈয়দ বাহাদুর শাহ মোজাদ্দেদী আল আবেদী।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা ছাত্রদলের সাবেক নেতা জাকির খানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি, নৈতিকতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আপনার মতামত লিখুন