সিদ্ধিরগঞ্জে সাহেব আলী হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে চাঞ্চল্যকর সাহেব আলী হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামি সাব্বিরকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াবদা কলোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সাব্বির ওই এলাকার শাহাবুদ্দিনের ছেলে।
র্যাব-১১-এর পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১২ অক্টোবর সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াবদা কলোনির ইত্তেহাদ টাওয়ারের সামনে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের সশস্ত্র ব্যক্তিরা সাহেব আলীকে (৪০) লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে বলে প্রাথমিক তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গুলিবিদ্ধ হয়ে সাহেব আলী সড়কের পাশের একটি খালে পড়ে গেলে হামলাকারীরা সেখানেও তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এরপর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় তারা।
পরে স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় সাহেব আলীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
গোয়েন্দা তথ্য ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ
র্যাব-১১ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর গ্রেপ্তার এড়াতে মামলার আসামিরা আত্মগোপনে চলে যায়। পরে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে আসামিদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১১-এর সিপিএসসি ইউনিটের একটি বিশেষ আভিযানিক দল মঙ্গলবার রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াবদা কলোনিতে অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামি সাব্বিরকে গ্রেপ্তার করে।
র্যাব-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হানিন আল তুরাবি জানান, গ্রেপ্তার সাব্বিরকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
সিদ্ধিরগঞ্জে সাহেব আলী হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে চাঞ্চল্যকর সাহেব আলী হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামি সাব্বিরকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াবদা কলোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সাব্বির ওই এলাকার শাহাবুদ্দিনের ছেলে।
র্যাব-১১-এর পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১২ অক্টোবর সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াবদা কলোনির ইত্তেহাদ টাওয়ারের সামনে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের সশস্ত্র ব্যক্তিরা সাহেব আলীকে (৪০) লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে বলে প্রাথমিক তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গুলিবিদ্ধ হয়ে সাহেব আলী সড়কের পাশের একটি খালে পড়ে গেলে হামলাকারীরা সেখানেও তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এরপর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় তারা।
পরে স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় সাহেব আলীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
গোয়েন্দা তথ্য ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ
র্যাব-১১ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর গ্রেপ্তার এড়াতে মামলার আসামিরা আত্মগোপনে চলে যায়। পরে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে আসামিদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১১-এর সিপিএসসি ইউনিটের একটি বিশেষ আভিযানিক দল মঙ্গলবার রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াবদা কলোনিতে অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামি সাব্বিরকে গ্রেপ্তার করে।
র্যাব-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হানিন আল তুরাবি জানান, গ্রেপ্তার সাব্বিরকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন