নিজের চেয়ারে মাকে বসিয়ে স্বপ্ন পূরণের কথা জানালেন বন্দর থানার ওসি
পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মস্থলে যে চেয়ারে বসে দায়িত্ব পালন করেন, সেই চেয়ারে মাকে বসিয়ে শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জামাল উদ্দিন। মাকে নিজের কর্মস্থলে এনে এই সম্মান জানানোকে জীবনের একটি স্বপ্ন পূরণ হিসেবে দেখছেন তিনি।
রোববার (২৫ অক্টোবর) চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা থেকে মাকে নারায়ণগঞ্জে আনার পর বন্দর থানায় নিয়ে যান জামাল উদ্দিন। চিকিৎসা শেষে মাকে নিজের কর্মস্থল ঘুরিয়ে দেখানোর সময় তাঁকে নিজের চেয়ারে এক মিনিটের জন্য বসান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
ঘটনাটি নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে জামাল উদ্দিন বলেন, গর্ভধারিণী মাকে নিজের চেয়ারে বসিয়ে সম্মান জানাতে পেরে তাঁর স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। একই সঙ্গে পৃথিবীর সব মায়ের সুখ ও ভালো থাকার জন্য দোয়া করেন তিনি।
জামাল উদ্দিনের ভাষ্য, ছোটবেলা থেকেই জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে মায়ের সাহস, সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা পেয়েছেন তিনি। মায়ের সমর্থন তাঁকে সামনে এগিয়ে যেতে শক্তি জুগিয়েছে এবং বর্তমান অবস্থানে পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
মায়ের সেই অবদানের কথা স্মরণ করেই কর্মস্থলের চেয়ারে তাঁকে বসানোর সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান ওসি জামাল উদ্দিন। তাঁর কাছে এটি কেবল একটি চেয়ারে বসানোর ঘটনা নয়, বরং মায়ের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি ব্যক্তিগত মুহুর্ত।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
নিজের চেয়ারে মাকে বসিয়ে স্বপ্ন পূরণের কথা জানালেন বন্দর থানার ওসি
পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মস্থলে যে চেয়ারে বসে দায়িত্ব পালন করেন, সেই চেয়ারে মাকে বসিয়ে শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জামাল উদ্দিন। মাকে নিজের কর্মস্থলে এনে এই সম্মান জানানোকে জীবনের একটি স্বপ্ন পূরণ হিসেবে দেখছেন তিনি।
রোববার (২৫ অক্টোবর) চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা থেকে মাকে নারায়ণগঞ্জে আনার পর বন্দর থানায় নিয়ে যান জামাল উদ্দিন। চিকিৎসা শেষে মাকে নিজের কর্মস্থল ঘুরিয়ে দেখানোর সময় তাঁকে নিজের চেয়ারে এক মিনিটের জন্য বসান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
ঘটনাটি নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে জামাল উদ্দিন বলেন, গর্ভধারিণী মাকে নিজের চেয়ারে বসিয়ে সম্মান জানাতে পেরে তাঁর স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। একই সঙ্গে পৃথিবীর সব মায়ের সুখ ও ভালো থাকার জন্য দোয়া করেন তিনি।
জামাল উদ্দিনের ভাষ্য, ছোটবেলা থেকেই জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে মায়ের সাহস, সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা পেয়েছেন তিনি। মায়ের সমর্থন তাঁকে সামনে এগিয়ে যেতে শক্তি জুগিয়েছে এবং বর্তমান অবস্থানে পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
মায়ের সেই অবদানের কথা স্মরণ করেই কর্মস্থলের চেয়ারে তাঁকে বসানোর সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান ওসি জামাল উদ্দিন। তাঁর কাছে এটি কেবল একটি চেয়ারে বসানোর ঘটনা নয়, বরং মায়ের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি ব্যক্তিগত মুহুর্ত।

আপনার মতামত লিখুন