বন্দর থেকে নিখোঁজের ৭ দিন পর ঢাকায় মিলল সিয়াম
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হওয়া ১৯ বছর বয়সী সিয়াম আলীকে ঢাকার উত্তর মুগদা এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। নিখোঁজ হওয়ার সাত দিন পর শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) তাকে উদ্ধার করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সিয়াম নিজেই আত্মগোপনে ছিলেন।
সিয়াম আলী চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানার বেগুনবাড়ি গ্রামের সাদিকুর রহমানের ছেলে। তিনি নারায়ণগঞ্জ বন্দরে লেবার সরদার সহিদুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে প্রায় তিন থেকে চার মাস কাজ করেছিলেন।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৩ অক্টোবর বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার পর থেকে সিয়ামের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান না পেয়ে লেবার সরদার সহিদুল ইসলামকে সন্দেহ করেন। এ ঘটনায় সহিদুল ইসলাম ২৫ অক্টোবর বন্দর থানায় একটি নিখোঁজ সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির নম্বর ১৫৪০।
সাত দিনেও সিয়ামের সন্ধান না মেলায় বিষয়টি জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান, পিপিএমের নজরে আসে। পরে তিনি ডিবি পুলিশকে ঘটনাটি তদন্ত করে নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারের নির্দেশ দেন।
এরপর ডিবি পুলিশের এসআই মফিজুল ইসলাম, পিপিএম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সিয়ামের অবস্থান শনাক্ত করেন। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মুগদা থানার উত্তর মুগদা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারের পর সিয়ামকে লেবার সরদার সহিদুল ইসলাম ও তাঁর ভাই আমিনুলের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬
বন্দর থেকে নিখোঁজের ৭ দিন পর ঢাকায় মিলল সিয়াম
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হওয়া ১৯ বছর বয়সী সিয়াম আলীকে ঢাকার উত্তর মুগদা এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। নিখোঁজ হওয়ার সাত দিন পর শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) তাকে উদ্ধার করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সিয়াম নিজেই আত্মগোপনে ছিলেন।
সিয়াম আলী চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানার বেগুনবাড়ি গ্রামের সাদিকুর রহমানের ছেলে। তিনি নারায়ণগঞ্জ বন্দরে লেবার সরদার সহিদুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে প্রায় তিন থেকে চার মাস কাজ করেছিলেন।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৩ অক্টোবর বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার পর থেকে সিয়ামের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান না পেয়ে লেবার সরদার সহিদুল ইসলামকে সন্দেহ করেন। এ ঘটনায় সহিদুল ইসলাম ২৫ অক্টোবর বন্দর থানায় একটি নিখোঁজ সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির নম্বর ১৫৪০।
সাত দিনেও সিয়ামের সন্ধান না মেলায় বিষয়টি জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান, পিপিএমের নজরে আসে। পরে তিনি ডিবি পুলিশকে ঘটনাটি তদন্ত করে নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারের নির্দেশ দেন।
এরপর ডিবি পুলিশের এসআই মফিজুল ইসলাম, পিপিএম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সিয়ামের অবস্থান শনাক্ত করেন। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মুগদা থানার উত্তর মুগদা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারের পর সিয়ামকে লেবার সরদার সহিদুল ইসলাম ও তাঁর ভাই আমিনুলের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন