২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে নারায়ণগঞ্জের কলেজগুলোর মধ্যে পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে গিয়াসউদ্দিন ইসলামিক মডেল কলেজ। অন্যদিকে, সর্বোচ্চসংখ্যক জিপিএ-৫ অর্জন করে জেলার কলেজগুলোর মধ্যে প্রথম স্থান দখল করেছে নারায়ণগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ। এ ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সরকারি তোলারাম কলেজকে পেছনে ফেলেছে প্রতিষ্ঠানটি।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) জেলা শিক্ষা কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলের তথ্য বিশ্লেষণে কলেজগুলোর এমন চিত্র পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, গিয়াসউদ্দিন ইসলামিক মডেল কলেজ থেকে এবার ৪৫৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪৫২ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৯৯ দশমিক ৫৬ শতাংশ। এ তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৯৮ দশমিক ১১ শতাংশ। ৮৮ দশমিক ১২ শতাংশ পাসের হার নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে জলসিঁড়ি ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
জিপিএ-৫ অর্জনের হিসাবেও কলেজগুলোর মধ্যে এগিয়ে রয়েছে নারায়ণগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির ৭৯ জন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ এই গ্রেড পেয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সরকারি তোলারাম কলেজের জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫২। এ ছাড়া বন্দর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে সাতজন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এই হিসাবে প্রতিষ্ঠানটি তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।
জেলার অন্যান্য কলেজের ফলাফলেও ভিন্নতা দেখা গেছে। গোপালদী নজরুল ইসলাম বাবু কলেজে পাসের হার ৭৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে পাঁচজন। রূপসী নিউ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার ৭৪ দশমিক ১৯ শতাংশ; জিপিএ-৫ পেয়েছে দুজন। রোকনুদ্দিন মোল্লা গার্লস কলেজের পাসের হার ৬৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে দুজন।
এ ছাড়া সানারপাড় রওশন আরা কলেজের পাসের হার ৬৫ দশমিক ২১ শতাংশ। সরকারি তোলারাম কলেজে এ হার ৬৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ। হাজী মোহাম্মদ এখলাছুদ্দিন ভূঁইয়া উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পাসের হার ৬২ দশমিক ৫০ শতাংশ, আলহাজ্ব লায়ন মো. হাবিবুর রহমান হরেজ সিটি কলেজে ৬১ দশমিক ৬০ শতাংশ এবং আব্দুল হক ভূঁইয়া ইন্টারন্যাশনাল কলেজে ৫৯ দশমিক ২৬ শতাংশ।
সোনারগাঁ স্টার ফ্লাওয়ার শাহ আলী রফিকুল ইসলাম স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাসের হার ৫৪ দশমিক ৬১ শতাংশ। সোনারগাঁ কাজী ফজলুল হক উইমেনস কলেজে ৪৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ এবং সলিমুদ্দিন চৌধুরী কলেজে ৪৭ দশমিক ৬০ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।
অন্যদিকে, জেলার কয়েকটি বড় ও সরকারি কলেজে পাসের হার তুলনামূলক কম। নারায়ণগঞ্জ কলেজে পাসের হার ৪৩ দশমিক ৩২ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র একজন শিক্ষার্থী। সরকারি মুরাপাড়া কলেজের পাসের হার ৩২ দশমিক ৪০ শতাংশ; জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন।
সরকারি সফর আলী কলেজে পাসের হার ৩১ দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে তিনজন। সরকারি কদম রসূল কলেজের পাসের হার ২৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে তিনজন। সরকারি আদমজীনগর এম. ডব্লিউ. কলেজে পাসের হার ২৯ দশমিক ৪৫ শতাংশ হলেও জিপিএ-৫ পেয়েছে ছয়জন। সোনারগাঁ সরকারি কলেজে পাসের হার ২২ দশমিক ৯৯ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন।
ফলাফলের তালিকায় আরও পিছিয়ে রয়েছে বন্দর উপজেলার দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। গিয়াসউদ্দিন চৌধুরী স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং নবীগঞ্জ গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে নারায়ণগঞ্জের কলেজগুলোর মধ্যে পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে গিয়াসউদ্দিন ইসলামিক মডেল কলেজ। অন্যদিকে, সর্বোচ্চসংখ্যক জিপিএ-৫ অর্জন করে জেলার কলেজগুলোর মধ্যে প্রথম স্থান দখল করেছে নারায়ণগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ। এ ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সরকারি তোলারাম কলেজকে পেছনে ফেলেছে প্রতিষ্ঠানটি।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) জেলা শিক্ষা কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলের তথ্য বিশ্লেষণে কলেজগুলোর এমন চিত্র পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, গিয়াসউদ্দিন ইসলামিক মডেল কলেজ থেকে এবার ৪৫৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪৫২ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৯৯ দশমিক ৫৬ শতাংশ। এ তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৯৮ দশমিক ১১ শতাংশ। ৮৮ দশমিক ১২ শতাংশ পাসের হার নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে জলসিঁড়ি ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
জিপিএ-৫ অর্জনের হিসাবেও কলেজগুলোর মধ্যে এগিয়ে রয়েছে নারায়ণগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির ৭৯ জন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ এই গ্রেড পেয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সরকারি তোলারাম কলেজের জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫২। এ ছাড়া বন্দর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে সাতজন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এই হিসাবে প্রতিষ্ঠানটি তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।
জেলার অন্যান্য কলেজের ফলাফলেও ভিন্নতা দেখা গেছে। গোপালদী নজরুল ইসলাম বাবু কলেজে পাসের হার ৭৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে পাঁচজন। রূপসী নিউ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার ৭৪ দশমিক ১৯ শতাংশ; জিপিএ-৫ পেয়েছে দুজন। রোকনুদ্দিন মোল্লা গার্লস কলেজের পাসের হার ৬৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে দুজন।
এ ছাড়া সানারপাড় রওশন আরা কলেজের পাসের হার ৬৫ দশমিক ২১ শতাংশ। সরকারি তোলারাম কলেজে এ হার ৬৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ। হাজী মোহাম্মদ এখলাছুদ্দিন ভূঁইয়া উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পাসের হার ৬২ দশমিক ৫০ শতাংশ, আলহাজ্ব লায়ন মো. হাবিবুর রহমান হরেজ সিটি কলেজে ৬১ দশমিক ৬০ শতাংশ এবং আব্দুল হক ভূঁইয়া ইন্টারন্যাশনাল কলেজে ৫৯ দশমিক ২৬ শতাংশ।
সোনারগাঁ স্টার ফ্লাওয়ার শাহ আলী রফিকুল ইসলাম স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাসের হার ৫৪ দশমিক ৬১ শতাংশ। সোনারগাঁ কাজী ফজলুল হক উইমেনস কলেজে ৪৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ এবং সলিমুদ্দিন চৌধুরী কলেজে ৪৭ দশমিক ৬০ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।
অন্যদিকে, জেলার কয়েকটি বড় ও সরকারি কলেজে পাসের হার তুলনামূলক কম। নারায়ণগঞ্জ কলেজে পাসের হার ৪৩ দশমিক ৩২ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র একজন শিক্ষার্থী। সরকারি মুরাপাড়া কলেজের পাসের হার ৩২ দশমিক ৪০ শতাংশ; জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন।
সরকারি সফর আলী কলেজে পাসের হার ৩১ দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে তিনজন। সরকারি কদম রসূল কলেজের পাসের হার ২৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে তিনজন। সরকারি আদমজীনগর এম. ডব্লিউ. কলেজে পাসের হার ২৯ দশমিক ৪৫ শতাংশ হলেও জিপিএ-৫ পেয়েছে ছয়জন। সোনারগাঁ সরকারি কলেজে পাসের হার ২২ দশমিক ৯৯ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন।
ফলাফলের তালিকায় আরও পিছিয়ে রয়েছে বন্দর উপজেলার দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। গিয়াসউদ্দিন চৌধুরী স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং নবীগঞ্জ গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

আপনার মতামত লিখুন