নারায়ণগঞ্জের চাষাড়ায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ‘শহীদ জিয়া হল’ পুনর্নির্মাণ করে আধুনিক কমপ্লেক্সে রূপান্তরের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছেন নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বরাবর দেওয়া এক লিখিত আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, চাষাড়ার ‘শহীদ জিয়া হল’ শুধু একটি স্থাপনা নয়, বরং স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, জাতীয়তাবাদী আদর্শ এবং সাংস্কৃতিক জাগরণের গুরুত্বপূর্ণ স্মারক।
আবেদনে বলা হয়, ৬০ দশমিক ৬২ শতাংশ জমির ওপর ১৯৭৮ সালের ১০ মার্চ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান টাউন হলটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে ১৯৮১ সালের ১৯ জুলাই তৎকালীন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার এটিকে ‘শহীদ জিয়া হল’ নামে নামকরণ করে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
এমপি দিপু আরও জানান, জমি-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে একসময় এ স্থাপনাটি নিয়ে দেওয়ানি মামলা দায়ের হয়। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায়ে ‘শহীদ জিয়া হল’ নামটি বহাল থাকে।
বর্তমানে দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় ভবনটি জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। যেকোনো সময় এটি ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তার মতে, ‘শহীদ জিয়া হল’ পুনর্নির্মাণ করে আধুনিক কমপ্লেক্সে রূপান্তর করা হলে নারায়ণগঞ্জবাসী একটি আধুনিক সাংস্কৃতিক ও বিনোদন কেন্দ্র পাবে। পাশাপাশি নতুন প্রজন্ম ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আদর্শের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে এবং শিল্পী, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিককর্মীদের জন্য একটি স্থায়ী প্ল্যাটফর্ম তৈরি হবে।
এ প্রেক্ষিতে দ্রুত ‘শহীদ জিয়া হল’ পুনর্নির্মাণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের চাষাড়ায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ‘শহীদ জিয়া হল’ পুনর্নির্মাণ করে আধুনিক কমপ্লেক্সে রূপান্তরের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছেন নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বরাবর দেওয়া এক লিখিত আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, চাষাড়ার ‘শহীদ জিয়া হল’ শুধু একটি স্থাপনা নয়, বরং স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, জাতীয়তাবাদী আদর্শ এবং সাংস্কৃতিক জাগরণের গুরুত্বপূর্ণ স্মারক।
আবেদনে বলা হয়, ৬০ দশমিক ৬২ শতাংশ জমির ওপর ১৯৭৮ সালের ১০ মার্চ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান টাউন হলটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে ১৯৮১ সালের ১৯ জুলাই তৎকালীন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার এটিকে ‘শহীদ জিয়া হল’ নামে নামকরণ করে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
এমপি দিপু আরও জানান, জমি-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে একসময় এ স্থাপনাটি নিয়ে দেওয়ানি মামলা দায়ের হয়। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায়ে ‘শহীদ জিয়া হল’ নামটি বহাল থাকে।
বর্তমানে দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় ভবনটি জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। যেকোনো সময় এটি ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তার মতে, ‘শহীদ জিয়া হল’ পুনর্নির্মাণ করে আধুনিক কমপ্লেক্সে রূপান্তর করা হলে নারায়ণগঞ্জবাসী একটি আধুনিক সাংস্কৃতিক ও বিনোদন কেন্দ্র পাবে। পাশাপাশি নতুন প্রজন্ম ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আদর্শের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে এবং শিল্পী, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিককর্মীদের জন্য একটি স্থায়ী প্ল্যাটফর্ম তৈরি হবে।
এ প্রেক্ষিতে দ্রুত ‘শহীদ জিয়া হল’ পুনর্নির্মাণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন