নারায়ণগঞ্জের বন্দরে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার পলাতক আসামি মো. ইউসুফ (৪৫) কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে ফতুল্লা থানার উত্তর নরসিংহপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার ইউসুফ বন্দর থানার দেউলি চৌরাপাড়া এলাকার মৃত কাশেম আলীর ছেলে।
র্যাব সূত্র জানায়, গত ১২ এপ্রিল বিকেলে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী নিজ বাড়ির উঠানে খেলছিল। এ সময় অভিযুক্ত ইউসুফ তাকে জোরপূর্বক নিজের ঘরে নিয়ে যায়। পরে বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য ভয়ভীতি দেখিয়ে তিনি পালিয়ে যান।
পরবর্তীতে শিশুটি নানির বাড়িতে ফিরে কান্নাকাটি করলে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর ভুক্তভোগীর নানি বাদী হয়ে বন্দর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা হওয়ার পর থেকেই র্যাব-১১ আসামিকে গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-১১-এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার নাঈম উল হক বলেন, একটি শিশুর বিরুদ্ধে এ ধরনের অপরাধ অত্যন্ত মর্মান্তিক। অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই আসামিকে আইনের আওতায় আনতে কাজ চলছিল। গ্রেপ্তারের পর তাকে বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার পলাতক আসামি মো. ইউসুফ (৪৫) কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে ফতুল্লা থানার উত্তর নরসিংহপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার ইউসুফ বন্দর থানার দেউলি চৌরাপাড়া এলাকার মৃত কাশেম আলীর ছেলে।
র্যাব সূত্র জানায়, গত ১২ এপ্রিল বিকেলে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী নিজ বাড়ির উঠানে খেলছিল। এ সময় অভিযুক্ত ইউসুফ তাকে জোরপূর্বক নিজের ঘরে নিয়ে যায়। পরে বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য ভয়ভীতি দেখিয়ে তিনি পালিয়ে যান।
পরবর্তীতে শিশুটি নানির বাড়িতে ফিরে কান্নাকাটি করলে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর ভুক্তভোগীর নানি বাদী হয়ে বন্দর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা হওয়ার পর থেকেই র্যাব-১১ আসামিকে গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-১১-এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার নাঈম উল হক বলেন, একটি শিশুর বিরুদ্ধে এ ধরনের অপরাধ অত্যন্ত মর্মান্তিক। অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই আসামিকে আইনের আওতায় আনতে কাজ চলছিল। গ্রেপ্তারের পর তাকে বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন