আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কাশীপুর ইউনিয়নে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ সোহেল মাহমুদ। ইতোমধ্যে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন এবং তাদের সমস্যা শুনে তা সমাধানের আশ্বাস দিচ্ছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহেল মাহমুদ নিয়মিত গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তাদের প্রত্যাশা ও অভিযোগ সরাসরি শুনছেন। বিশেষ করে ৭ নম্বর ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি স্পষ্টভাবে ঘোষণা দেন,
“যদি নির্বাচনের আগে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস বন্ধ না করতে পারি, তাহলে নির্বাচন করবো না।”
তার এমন বক্তব্যে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে।
এলাকাবাসীর মতে, সোহেল মাহমুদের এই দৃঢ় অবস্থান ও বাস্তবমুখী উদ্যোগ তাকে অন্য প্রার্থীদের তুলনায় আলাদা করেছে। কাশীপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মনে করছেন, তিনি এলাকার সমস্যাগুলো গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পারেন এবং সমাধানে আন্তরিক।
জানা গেছে, মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়ন, যুবসমাজকে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা এবং চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করার বিষয়ে ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছেন তিনি। পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।
রাজনৈতিকভাবেও তিনি সক্রিয়। বর্তমানে তিনি নারায়ণগঞ্জ মহানগর জাসাসের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও তার প্রতি আস্থা বাড়ছে বলে জানা গেছে। কাশীপুর ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরাও তাকে সম্ভাবনাময় প্রার্থী হিসেবে দেখছেন।
স্থানীয় ভোটারদের অনেকেই মনে করছেন, সোহেল মাহমুদের প্রতিশ্রুতি ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম কাশীপুরে একটি নতুন নেতৃত্বের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। তার এই ধারাবাহিক প্রচেষ্টা ও জনসম্পৃক্ততা নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলেও ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কাশীপুর ইউনিয়নে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ সোহেল মাহমুদ। ইতোমধ্যে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন এবং তাদের সমস্যা শুনে তা সমাধানের আশ্বাস দিচ্ছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহেল মাহমুদ নিয়মিত গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তাদের প্রত্যাশা ও অভিযোগ সরাসরি শুনছেন। বিশেষ করে ৭ নম্বর ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি স্পষ্টভাবে ঘোষণা দেন,
“যদি নির্বাচনের আগে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস বন্ধ না করতে পারি, তাহলে নির্বাচন করবো না।”
তার এমন বক্তব্যে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে।
এলাকাবাসীর মতে, সোহেল মাহমুদের এই দৃঢ় অবস্থান ও বাস্তবমুখী উদ্যোগ তাকে অন্য প্রার্থীদের তুলনায় আলাদা করেছে। কাশীপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মনে করছেন, তিনি এলাকার সমস্যাগুলো গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পারেন এবং সমাধানে আন্তরিক।
জানা গেছে, মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়ন, যুবসমাজকে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা এবং চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করার বিষয়ে ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছেন তিনি। পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।
রাজনৈতিকভাবেও তিনি সক্রিয়। বর্তমানে তিনি নারায়ণগঞ্জ মহানগর জাসাসের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও তার প্রতি আস্থা বাড়ছে বলে জানা গেছে। কাশীপুর ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরাও তাকে সম্ভাবনাময় প্রার্থী হিসেবে দেখছেন।
স্থানীয় ভোটারদের অনেকেই মনে করছেন, সোহেল মাহমুদের প্রতিশ্রুতি ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম কাশীপুরে একটি নতুন নেতৃত্বের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। তার এই ধারাবাহিক প্রচেষ্টা ও জনসম্পৃক্ততা নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলেও ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন