নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নের কুঁড়েরপাড় এলাকার বাসিন্দা ও ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সক্রিয় অংশগ্রহণকারী মোহাম্মদ আনাস আর নেই। দীর্ঘদিন ব্রেইন টিউমারে ভোগার পর শনিবার (২৭ জুন) রাত ১টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় মাস ধরে তিনি ব্রেইন টিউমারের চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ সময় তার একাধিকবার অস্ত্রোপচার করা হলেও শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
আলীরটেকে তিনি ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে আলীরটেক ইউনিয়ন থেকে ছাত্র-জনতাকে সংগঠিত করে আন্দোলনে অংশগ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। জানা যায়, নানা বাধা, ভয়ভীতি ও প্রতিকূলতা উপেক্ষা করেও তিনি নিজের দলবল নিয়ে আন্দোলনে যোগ দেন এবং অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করেন।
সহযোদ্ধাদের ভাষ্য, আন্দোলনের কঠিন সময়ে আনাস সাহসিকতার সঙ্গে রাজপথে ছিলেন। আলীরটেক থেকে ছাত্র-জনতার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করেছিলেন। তার মৃত্যুতে স্থানীয় জুলাই যোদ্ধা ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মরহুম আনাসের বাবা ফজর আলী। তিনি ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলেন।
জানা গেছে, আজ (শনিবার) সকাল ১০টায় কুঁড়েরপাড় কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে । পরে তাকে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।
পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নের কুঁড়েরপাড় এলাকার বাসিন্দা ও ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সক্রিয় অংশগ্রহণকারী মোহাম্মদ আনাস আর নেই। দীর্ঘদিন ব্রেইন টিউমারে ভোগার পর শনিবার (২৭ জুন) রাত ১টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় মাস ধরে তিনি ব্রেইন টিউমারের চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ সময় তার একাধিকবার অস্ত্রোপচার করা হলেও শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
আলীরটেকে তিনি ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে আলীরটেক ইউনিয়ন থেকে ছাত্র-জনতাকে সংগঠিত করে আন্দোলনে অংশগ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। জানা যায়, নানা বাধা, ভয়ভীতি ও প্রতিকূলতা উপেক্ষা করেও তিনি নিজের দলবল নিয়ে আন্দোলনে যোগ দেন এবং অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করেন।
সহযোদ্ধাদের ভাষ্য, আন্দোলনের কঠিন সময়ে আনাস সাহসিকতার সঙ্গে রাজপথে ছিলেন। আলীরটেক থেকে ছাত্র-জনতার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করেছিলেন। তার মৃত্যুতে স্থানীয় জুলাই যোদ্ধা ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মরহুম আনাসের বাবা ফজর আলী। তিনি ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলেন।
জানা গেছে, আজ (শনিবার) সকাল ১০টায় কুঁড়েরপাড় কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে । পরে তাকে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।
পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন