বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদকে অকার্যকর করতেই অপপ্রচার’—ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পিংকি আক্তার
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পিংকি আক্তার তার বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও অপপ্রচার বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমকে অকার্যকর করা এবং জনসেবায় বিঘ্ন সৃষ্টি করার লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।
সম্প্রতি ইউনিয়ন পরিষদের কয়েকজন সদস্য তার বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে পিংকি আক্তার বলেন, দীর্ঘদিন নানা জটিলতায় বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক সেবা কার্যক্রম ব্যাহত ছিল। দায়িত্ব গ্রহণের পর সেই সেবাগুলো সচল করতে কাজ করছেন তিনি। এতে একটি মহল অসন্তুষ্ট হয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে।
তিনি বলেন, “যারা আজ বিভিন্ন অভিযোগ করছেন, তারা অতীতেও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। এখন ব্যক্তিগত স্বার্থ ও ক্ষমতা দখলের অপচেষ্টা হিসেবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে।”
আর্থিক অনিয়ম ও হিসাব গোপনের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের সব আয়-ব্যয় সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে পরিচালিত হয়। হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় পরিষদের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ এবং আদায়কৃত অর্থ নির্ধারিত নিয়মে পরিষদের হিসাবে জমা করা হয়। উন্নয়ন প্রকল্প ও বরাদ্দের ক্ষেত্রেও সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
উন্নয়ন কাজের ইস্টিমেট, প্রকল্প বণ্টন ও সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় না থাকার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “যারা অভিযোগ করছেন, তাদের বক্তব্য বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। পরিষদের কার্যক্রম নিয়ম মেনেই পরিচালিত হচ্ছে এবং কাউকে বঞ্চিত করার কোনো প্রশ্নই আসে না।”
সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের বিষয়ে পিংকি আক্তার বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের যদি সামান্যতম সত্যতাও কেউ প্রমাণ করতে পারেন, তাহলে রাষ্ট্রীয় আইনে আমার বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, আমি তা মেনে নেব।”
ব্যক্তিগত সম্পদের বিষয়ে তিনি বলেন, “আমার দুটি বিউটি পার্লারসহ অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আমার ব্যক্তিগত আয় সেখান থেকেই আসে। সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”
তিনি আরও বলেন, “আমার একমাত্র লক্ষ্য বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের সেবা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া। একটি কুচক্রী মহল সেই কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার জন্য অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি আইন ও জনগণের ওপর আস্থা রাখি। সত্য অবশ্যই প্রতিষ্ঠিত হবে।”
এদিকে, অভিযোগকারী সদস্যরা তাদের অভিযোগের বিষয়ে যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদকে অকার্যকর করতেই অপপ্রচার’—ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পিংকি আক্তার
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পিংকি আক্তার তার বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও অপপ্রচার বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমকে অকার্যকর করা এবং জনসেবায় বিঘ্ন সৃষ্টি করার লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।
সম্প্রতি ইউনিয়ন পরিষদের কয়েকজন সদস্য তার বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে পিংকি আক্তার বলেন, দীর্ঘদিন নানা জটিলতায় বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক সেবা কার্যক্রম ব্যাহত ছিল। দায়িত্ব গ্রহণের পর সেই সেবাগুলো সচল করতে কাজ করছেন তিনি। এতে একটি মহল অসন্তুষ্ট হয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে।
তিনি বলেন, “যারা আজ বিভিন্ন অভিযোগ করছেন, তারা অতীতেও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। এখন ব্যক্তিগত স্বার্থ ও ক্ষমতা দখলের অপচেষ্টা হিসেবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে।”
আর্থিক অনিয়ম ও হিসাব গোপনের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের সব আয়-ব্যয় সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে পরিচালিত হয়। হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় পরিষদের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ এবং আদায়কৃত অর্থ নির্ধারিত নিয়মে পরিষদের হিসাবে জমা করা হয়। উন্নয়ন প্রকল্প ও বরাদ্দের ক্ষেত্রেও সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
উন্নয়ন কাজের ইস্টিমেট, প্রকল্প বণ্টন ও সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় না থাকার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “যারা অভিযোগ করছেন, তাদের বক্তব্য বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। পরিষদের কার্যক্রম নিয়ম মেনেই পরিচালিত হচ্ছে এবং কাউকে বঞ্চিত করার কোনো প্রশ্নই আসে না।”
সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের বিষয়ে পিংকি আক্তার বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের যদি সামান্যতম সত্যতাও কেউ প্রমাণ করতে পারেন, তাহলে রাষ্ট্রীয় আইনে আমার বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, আমি তা মেনে নেব।”
ব্যক্তিগত সম্পদের বিষয়ে তিনি বলেন, “আমার দুটি বিউটি পার্লারসহ অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আমার ব্যক্তিগত আয় সেখান থেকেই আসে। সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”
তিনি আরও বলেন, “আমার একমাত্র লক্ষ্য বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের সেবা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া। একটি কুচক্রী মহল সেই কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার জন্য অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি আইন ও জনগণের ওপর আস্থা রাখি। সত্য অবশ্যই প্রতিষ্ঠিত হবে।”
এদিকে, অভিযোগকারী সদস্যরা তাদের অভিযোগের বিষয়ে যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন