রাষ্ট্রীয় সংস্কার, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গঠন এবং জাতীয় স্বার্থভিত্তিক মর্যাদাপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন।
শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক, জাতীয় নিরাপত্তা ও মানবাধিকার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যে অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে পারস্পরিক সম্মান, সমমর্যাদা ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে। দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং জনগণের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রেখেই আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালনা করা উচিত।
তিনি সীমান্ত হত্যা, সীমান্তবর্তী জনগণের মানবাধিকার, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দুর্ভোগ, মাদক পাচার, জাতীয় নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে বলেন, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রাষ্ট্রকে আরও কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে সীমান্ত হত্যার শিকার পরিবারগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা শুধু সীমান্ত রক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার সুরক্ষা, মাদক নিয়ন্ত্রণ, শক্তিশালী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গঠন এবং তরুণ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখাও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ লক্ষ্য অর্জনে স্বাধীন ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পাশাপাশি রাজনৈতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন তিনি।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা ছিল একটি ন্যায়ভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা। সেই লক্ষ্য অর্জনে রাষ্ট্রীয় সংস্কার, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার কোনো বিকল্প নেই।
অনুষ্ঠানের শেষে অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন আশা প্রকাশ করেন, জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, মানবাধিকারের সুরক্ষা এবং জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে একটি মর্যাদাপূর্ণ, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
রাষ্ট্রীয় সংস্কার, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গঠন এবং জাতীয় স্বার্থভিত্তিক মর্যাদাপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন।
শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক, জাতীয় নিরাপত্তা ও মানবাধিকার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যে অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে পারস্পরিক সম্মান, সমমর্যাদা ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে। দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং জনগণের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রেখেই আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালনা করা উচিত।
তিনি সীমান্ত হত্যা, সীমান্তবর্তী জনগণের মানবাধিকার, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দুর্ভোগ, মাদক পাচার, জাতীয় নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে বলেন, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রাষ্ট্রকে আরও কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে সীমান্ত হত্যার শিকার পরিবারগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা শুধু সীমান্ত রক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার সুরক্ষা, মাদক নিয়ন্ত্রণ, শক্তিশালী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গঠন এবং তরুণ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখাও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ লক্ষ্য অর্জনে স্বাধীন ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পাশাপাশি রাজনৈতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন তিনি।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা ছিল একটি ন্যায়ভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা। সেই লক্ষ্য অর্জনে রাষ্ট্রীয় সংস্কার, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার কোনো বিকল্প নেই।
অনুষ্ঠানের শেষে অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন আশা প্রকাশ করেন, জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, মানবাধিকারের সুরক্ষা এবং জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে একটি মর্যাদাপূর্ণ, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন