জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ছাত্রশক্তি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত “জুলাই গণঅভ্যুত্থান: স্ফুলিঙ্গ থেকে চলমান বিপ্লব” শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
বক্তব্যে আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, রক্তাক্ত জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ভয়ভীতি, দমন-পীড়ন ও রাজনৈতিক নিপীড়নের পরিবেশ থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ তৈরি করেছে। এখন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে জ্ঞানচর্চা, মুক্তচিন্তা এবং ভবিষ্যৎমুখী প্রতিযোগিতার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে যেন আর কখনো নির্যাতন ও জুলুমের সংস্কৃতি ফিরে না আসে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান নতুন প্রজন্মকে সত্য উচ্চারণের সাহস এবং জবাবদিহিতার মূল্যবোধ শিখিয়েছে। জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ড জনগণের কাছে জবাবদিহির আওতায় থাকা প্রয়োজন। এমনকি নিজের বিরুদ্ধে কোনো অনিয়ম বা অন্যায় ঘটলেও জনগণ যেন প্রশ্ন তোলে এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করে—এমন প্রত্যাশার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
আব্দুল্লাহ আল আমিন বিশ্ববিদ্যালয়কে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রথম দুর্গ হিসেবে উল্লেখ করে শিক্ষার্থীদের সেই চেতনা ধারণ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও ভবিষ্যৎমুখী বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা রাখারও আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
এ সময় আরও বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শারমিন, প্রক্টর অধ্যাপক মো. নাসির উদ্দিন, জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান, সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার, জকসুর ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী হাসান হিমেলসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ছাত্রশক্তি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত “জুলাই গণঅভ্যুত্থান: স্ফুলিঙ্গ থেকে চলমান বিপ্লব” শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
বক্তব্যে আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, রক্তাক্ত জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ভয়ভীতি, দমন-পীড়ন ও রাজনৈতিক নিপীড়নের পরিবেশ থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ তৈরি করেছে। এখন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে জ্ঞানচর্চা, মুক্তচিন্তা এবং ভবিষ্যৎমুখী প্রতিযোগিতার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে যেন আর কখনো নির্যাতন ও জুলুমের সংস্কৃতি ফিরে না আসে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান নতুন প্রজন্মকে সত্য উচ্চারণের সাহস এবং জবাবদিহিতার মূল্যবোধ শিখিয়েছে। জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ড জনগণের কাছে জবাবদিহির আওতায় থাকা প্রয়োজন। এমনকি নিজের বিরুদ্ধে কোনো অনিয়ম বা অন্যায় ঘটলেও জনগণ যেন প্রশ্ন তোলে এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করে—এমন প্রত্যাশার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
আব্দুল্লাহ আল আমিন বিশ্ববিদ্যালয়কে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রথম দুর্গ হিসেবে উল্লেখ করে শিক্ষার্থীদের সেই চেতনা ধারণ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও ভবিষ্যৎমুখী বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা রাখারও আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
এ সময় আরও বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শারমিন, প্রক্টর অধ্যাপক মো. নাসির উদ্দিন, জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান, সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার, জকসুর ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী হাসান হিমেলসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন