নারায়ণগঞ্জে যানজট নিয়ন্ত্রণে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তা টিআই এমএ করিম। জনবল সংকট ও নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও নগরবাসীর স্বস্তির জন্য দিনরাত দায়িত্ব পালন করায় বিভিন্ন মহল থেকে প্রশংসা পেয়েছেন তিনি।
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জেলা নারায়ণগঞ্জে শিল্প-কারখানা ও কর্মসংস্থানের কারণে প্রতিনিয়ত বাড়ছে জনসংখ্যা ও যানবাহনের সংখ্যা। বিপুল জনসংখ্যা ও যানবাহনের তুলনায় নগরীর সড়কব্যবস্থা সীমিত। এর সঙ্গে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার কারণে যানজট পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
এমন পরিস্থিতিতে যানজট নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ট্রাফিক পুলিশ না থাকায় দায়িত্ব পালন করতে হিমশিম খেতে হয় সংশ্লিষ্টদের। তারপরও পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় নগরবাসীর চলাচল স্বাভাবিক রাখতে টিআই এমএ করিম নিয়মিতভাবে মাঠে থেকে দায়িত্ব পালন করছেন।
যানজট নিরসনে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতেও দেখা যায় তাকে। আন্তরিকতা, দায়িত্বশীলতা এবং বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে যানজট নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখায় একাধিকবার বিভিন্ন মহলের প্রশংসা পেয়েছেন এই কর্মকর্তা।
তার এই পরিশ্রম ও আন্তরিকতার স্বীকৃতি হিসেবে নগরবাসীর পক্ষ থেকে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।
এদিকে নারায়ণগঞ্জবাসীর দাবি, জনসংখ্যা ও নগরায়নের বর্তমান বাস্তবতায় নারায়ণগঞ্জকে মেট্রোপলিটন শহরে উন্নীত করার বিষয়টি এখন সময়ের দাবি। আশির দশকের বরাদ্দকৃত সীমিত সংখ্যক পুলিশ সদস্য দিয়ে পুরো জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা কার্যকরভাবে পরিচালনা করা কঠিন।
তাদের মতে, নারায়ণগঞ্জ মেট্রোপলিটন হলে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ও প্রয়োজনীয় জনবল বরাদ্দ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। এতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও যানজট নিয়ন্ত্রণে সক্ষমতা বাড়বে এবং নগরবাসীর ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।
নারায়ণগঞ্জবাসী মনে করেন, পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন, এনডিএ প্রশাসন, জেলা পরিষদ, বিকেএমইএ, চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজ ও সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সম্মিলিতভাবে উদ্যোগ নিলে নারায়ণগঞ্জকে মেট্রোপলিটন শহরে উন্নীত করার দাবি বাস্তবায়নের পথ আরও সহজ হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে যানজট নিয়ন্ত্রণে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তা টিআই এমএ করিম। জনবল সংকট ও নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও নগরবাসীর স্বস্তির জন্য দিনরাত দায়িত্ব পালন করায় বিভিন্ন মহল থেকে প্রশংসা পেয়েছেন তিনি।
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জেলা নারায়ণগঞ্জে শিল্প-কারখানা ও কর্মসংস্থানের কারণে প্রতিনিয়ত বাড়ছে জনসংখ্যা ও যানবাহনের সংখ্যা। বিপুল জনসংখ্যা ও যানবাহনের তুলনায় নগরীর সড়কব্যবস্থা সীমিত। এর সঙ্গে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার কারণে যানজট পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
এমন পরিস্থিতিতে যানজট নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ট্রাফিক পুলিশ না থাকায় দায়িত্ব পালন করতে হিমশিম খেতে হয় সংশ্লিষ্টদের। তারপরও পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় নগরবাসীর চলাচল স্বাভাবিক রাখতে টিআই এমএ করিম নিয়মিতভাবে মাঠে থেকে দায়িত্ব পালন করছেন।
যানজট নিরসনে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতেও দেখা যায় তাকে। আন্তরিকতা, দায়িত্বশীলতা এবং বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে যানজট নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখায় একাধিকবার বিভিন্ন মহলের প্রশংসা পেয়েছেন এই কর্মকর্তা।
তার এই পরিশ্রম ও আন্তরিকতার স্বীকৃতি হিসেবে নগরবাসীর পক্ষ থেকে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।
এদিকে নারায়ণগঞ্জবাসীর দাবি, জনসংখ্যা ও নগরায়নের বর্তমান বাস্তবতায় নারায়ণগঞ্জকে মেট্রোপলিটন শহরে উন্নীত করার বিষয়টি এখন সময়ের দাবি। আশির দশকের বরাদ্দকৃত সীমিত সংখ্যক পুলিশ সদস্য দিয়ে পুরো জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা কার্যকরভাবে পরিচালনা করা কঠিন।
তাদের মতে, নারায়ণগঞ্জ মেট্রোপলিটন হলে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ও প্রয়োজনীয় জনবল বরাদ্দ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। এতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও যানজট নিয়ন্ত্রণে সক্ষমতা বাড়বে এবং নগরবাসীর ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।
নারায়ণগঞ্জবাসী মনে করেন, পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন, এনডিএ প্রশাসন, জেলা পরিষদ, বিকেএমইএ, চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজ ও সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সম্মিলিতভাবে উদ্যোগ নিলে নারায়ণগঞ্জকে মেট্রোপলিটন শহরে উন্নীত করার দাবি বাস্তবায়নের পথ আরও সহজ হবে।

আপনার মতামত লিখুন