বি পি নিউজ ২৪

ডিসেম্বরে ফেরার বার্তা, নারায়ণগঞ্জে আলোচনায় আওয়ামী লীগ


প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

ডিসেম্বরে ফেরার বার্তা, নারায়ণগঞ্জে আলোচনায় আওয়ামী লীগ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও রাজনীতির মাঠে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার নানা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা—এমন আলোচনা এখন নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ জোরালো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আগামী ডিসেম্বরে প্রকাশ্যে রাজপথে ফেরার বার্তা ছড়িয়ে পড়ার পর দলটিকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনলাইন বিতর্কের পাশাপাশি বিষয়টি এখন চায়ের দোকান থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক আড্ডাতেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

ফেসবুকে আওয়ামী লীগকে ঘিরে পক্ষে-বিপক্ষে চলছে নানা মন্তব্য ও বিতর্ক। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করছেন, আত্মগোপনে বা দেশের বাইরে থাকা দলটির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা কর্মী-সমর্থকদের মনোবল ধরে রাখা এবং রাজনৈতিক আলোচনায় নিজেদের সক্রিয় রাখার উদ্দেশ্যে এমন বার্তা দিচ্ছেন।

এ আলোচনায় উঠে এসেছে নারায়ণগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের নামও। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, দেশের বাইরে অবস্থান করলেও তিনি সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে বক্তব্য দেওয়া এবং নিজের রাজনৈতিক অবস্থান জানান দেওয়ার চেষ্টা করছেন। ফলে তার অনুসারীদের মধ্যেও নতুন করে সক্রিয়তার আগ্রহ দেখা যাচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।

স্থানীয়ভাবে দেখা গেছে, দলটির কিছু কর্মী-সমর্থক বিভিন্ন সময় ছোট পরিসরে মিছিল ও সমাবেশের উদ্যোগ নিচ্ছেন। এসব কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতাও দেখা গেছে এবং বিভিন্ন ঘটনায় গ্রেপ্তারের খবরও পাওয়া গেছে।

২০২৫ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের শাসনের অবসান ঘটে। এরপর গ্রেপ্তার ও বিভিন্ন পরিস্থিতি এড়াতে দলটির অনেক নেতা-কর্মী আত্মগোপনে চলে যান বলে জানা যায়। কেউ দেশের বাইরে চলে যান, আবার অনেকে গ্রেপ্তার হন।

তবে পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই নারায়ণগঞ্জে দলটির নেতাকর্মীদের রাজপথে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা লক্ষ্য করা গিয়েছিল। বিভিন্ন সূত্রের মতে, আর্থিকভাবে প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি অর্থ ব্যয় করে কর্মী-সমর্থকদের সংগঠিত করার চেষ্টা করলেও স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিরোধের মুখে তা খুব বেশি বিস্তৃত হতে পারেনি।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর পরিস্থিতি আবারও কিছুটা বদলাতে শুরু করেছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। আগে সীমিত পরিসরে রাতের বেলায় কর্মসূচি পালনের অভিযোগ থাকলেও পরবর্তী সময়ে দিনের বেলায় ব্যানার লাগানো, স্লোগান দেওয়া এবং বিভিন্ন স্থানে দলীয় উপস্থিতি জানান দেওয়ার ঘটনাও সামনে আসে।

পর্যায়ক্রমে শেখ হাসিনা, শামীম ওসমান এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের ছবি সংবলিত পোস্টার লাগানোর মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। এরপর বিভিন্ন এলাকায় ছোট আকারে মিছিলের ঘটনাও ঘটে। স্থানীয় পর্যায়ের অভিযোগ অনুযায়ী, এসব কর্মকাণ্ডে আত্মগোপনে থাকা বা দেশের বাইরে অবস্থানরত কিছু নেতার আর্থিক সহযোগিতা থাকতে পারে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলটির নেতারা দেশের বাইরে থেকে অর্থ ও সাংগঠনিক সহায়তার মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের আবার সক্রিয় করার চেষ্টা করছেন। বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব ও উপস্থিতি জানান দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য সংগঠন পুনর্গঠনের চেষ্টাও চলছে বলে মনে করছেন তারা।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য রাজনৈতিক তৎপরতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিএনপি ও তাদের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে রাজপথে সক্রিয় থাকার কথা বলছেন।

এ অবস্থায় নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন ধরনের উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আওয়ামী লীগের পুনরায় সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা এবং এর বিপরীতে বিএনপির অবস্থান—দুই পক্ষের এই রাজনৈতিক বাস্তবতা আগামী দিনগুলোতে জেলার রাজনীতিকে কোন দিকে নিয়ে যাবে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও কৌতূহল ও উদ্বেগ রয়েছে।

প্রবীণ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পরও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নারায়ণগঞ্জে সরাসরি নয়, বরং ভিন্ন কৌশলে নিজেদের সংগঠিত করার চেষ্টা করতে পারেন। তাদের আশঙ্কা, মাঠপর্যায়ের কর্মীদের অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় করা হতে পারে।

তবে আওয়ামী লীগের সাবেক শাসনামলকে ঘিরে নারায়ণগঞ্জে থাকা নানা অভিযোগ, স্থানীয় রাজনৈতিক আধিপত্য এবং বিভিন্ন বিতর্কের বিষয়ও নতুন করে আলোচনায় আসছে। সমালোচকদের প্রশ্ন, আত্মগোপনে থাকা বা বিদেশে চলে যাওয়া নেতাদের কর্মকাণ্ডের বিচার ও রাজনৈতিক জবাবদিহিতার বিষয়গুলো এখনও আলোচনায় থাকা অবস্থায় দলটির কর্মীরা কীভাবে আবার প্রকাশ্যে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

এই প্রশ্নের উত্তরে স্থানীয় বিভিন্ন মহল সুবিধাবাদী ও অর্থনৈতিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকার কথা বলছেন। আবার কেউ কেউ প্রশাসনের তৎপরতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন। সব মিলিয়ে ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য রাজনৈতিক তৎপরতার বার্তা ঘিরে নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে নতুন হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

বি পি নিউজ ২৪

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬


ডিসেম্বরে ফেরার বার্তা, নারায়ণগঞ্জে আলোচনায় আওয়ামী লীগ

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও রাজনীতির মাঠে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার নানা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা—এমন আলোচনা এখন নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ জোরালো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আগামী ডিসেম্বরে প্রকাশ্যে রাজপথে ফেরার বার্তা ছড়িয়ে পড়ার পর দলটিকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনলাইন বিতর্কের পাশাপাশি বিষয়টি এখন চায়ের দোকান থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক আড্ডাতেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

ফেসবুকে আওয়ামী লীগকে ঘিরে পক্ষে-বিপক্ষে চলছে নানা মন্তব্য ও বিতর্ক। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করছেন, আত্মগোপনে বা দেশের বাইরে থাকা দলটির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা কর্মী-সমর্থকদের মনোবল ধরে রাখা এবং রাজনৈতিক আলোচনায় নিজেদের সক্রিয় রাখার উদ্দেশ্যে এমন বার্তা দিচ্ছেন।

এ আলোচনায় উঠে এসেছে নারায়ণগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের নামও। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, দেশের বাইরে অবস্থান করলেও তিনি সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে বক্তব্য দেওয়া এবং নিজের রাজনৈতিক অবস্থান জানান দেওয়ার চেষ্টা করছেন। ফলে তার অনুসারীদের মধ্যেও নতুন করে সক্রিয়তার আগ্রহ দেখা যাচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।

স্থানীয়ভাবে দেখা গেছে, দলটির কিছু কর্মী-সমর্থক বিভিন্ন সময় ছোট পরিসরে মিছিল ও সমাবেশের উদ্যোগ নিচ্ছেন। এসব কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতাও দেখা গেছে এবং বিভিন্ন ঘটনায় গ্রেপ্তারের খবরও পাওয়া গেছে।

২০২৫ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের শাসনের অবসান ঘটে। এরপর গ্রেপ্তার ও বিভিন্ন পরিস্থিতি এড়াতে দলটির অনেক নেতা-কর্মী আত্মগোপনে চলে যান বলে জানা যায়। কেউ দেশের বাইরে চলে যান, আবার অনেকে গ্রেপ্তার হন।

তবে পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই নারায়ণগঞ্জে দলটির নেতাকর্মীদের রাজপথে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা লক্ষ্য করা গিয়েছিল। বিভিন্ন সূত্রের মতে, আর্থিকভাবে প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি অর্থ ব্যয় করে কর্মী-সমর্থকদের সংগঠিত করার চেষ্টা করলেও স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিরোধের মুখে তা খুব বেশি বিস্তৃত হতে পারেনি।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর পরিস্থিতি আবারও কিছুটা বদলাতে শুরু করেছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। আগে সীমিত পরিসরে রাতের বেলায় কর্মসূচি পালনের অভিযোগ থাকলেও পরবর্তী সময়ে দিনের বেলায় ব্যানার লাগানো, স্লোগান দেওয়া এবং বিভিন্ন স্থানে দলীয় উপস্থিতি জানান দেওয়ার ঘটনাও সামনে আসে।

পর্যায়ক্রমে শেখ হাসিনা, শামীম ওসমান এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের ছবি সংবলিত পোস্টার লাগানোর মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। এরপর বিভিন্ন এলাকায় ছোট আকারে মিছিলের ঘটনাও ঘটে। স্থানীয় পর্যায়ের অভিযোগ অনুযায়ী, এসব কর্মকাণ্ডে আত্মগোপনে থাকা বা দেশের বাইরে অবস্থানরত কিছু নেতার আর্থিক সহযোগিতা থাকতে পারে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলটির নেতারা দেশের বাইরে থেকে অর্থ ও সাংগঠনিক সহায়তার মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের আবার সক্রিয় করার চেষ্টা করছেন। বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব ও উপস্থিতি জানান দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য সংগঠন পুনর্গঠনের চেষ্টাও চলছে বলে মনে করছেন তারা।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য রাজনৈতিক তৎপরতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিএনপি ও তাদের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে রাজপথে সক্রিয় থাকার কথা বলছেন।

এ অবস্থায় নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন ধরনের উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আওয়ামী লীগের পুনরায় সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা এবং এর বিপরীতে বিএনপির অবস্থান—দুই পক্ষের এই রাজনৈতিক বাস্তবতা আগামী দিনগুলোতে জেলার রাজনীতিকে কোন দিকে নিয়ে যাবে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও কৌতূহল ও উদ্বেগ রয়েছে।

প্রবীণ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পরও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নারায়ণগঞ্জে সরাসরি নয়, বরং ভিন্ন কৌশলে নিজেদের সংগঠিত করার চেষ্টা করতে পারেন। তাদের আশঙ্কা, মাঠপর্যায়ের কর্মীদের অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় করা হতে পারে।

তবে আওয়ামী লীগের সাবেক শাসনামলকে ঘিরে নারায়ণগঞ্জে থাকা নানা অভিযোগ, স্থানীয় রাজনৈতিক আধিপত্য এবং বিভিন্ন বিতর্কের বিষয়ও নতুন করে আলোচনায় আসছে। সমালোচকদের প্রশ্ন, আত্মগোপনে থাকা বা বিদেশে চলে যাওয়া নেতাদের কর্মকাণ্ডের বিচার ও রাজনৈতিক জবাবদিহিতার বিষয়গুলো এখনও আলোচনায় থাকা অবস্থায় দলটির কর্মীরা কীভাবে আবার প্রকাশ্যে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

এই প্রশ্নের উত্তরে স্থানীয় বিভিন্ন মহল সুবিধাবাদী ও অর্থনৈতিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকার কথা বলছেন। আবার কেউ কেউ প্রশাসনের তৎপরতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন। সব মিলিয়ে ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য রাজনৈতিক তৎপরতার বার্তা ঘিরে নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে নতুন হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে।


বি পি নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বি পি নিউজ