নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের সদস্য মোক্তার হোসেনকে গ্রেপ্তারের পর তাকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নৌবাহিনীর কমান্ডার পরিচয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলমের কাছে ফোন দেওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ফতুল্লার পিলকুনি জোড়া মসজিদ এলাকা থেকে মোক্তার হোসেনকে আটক করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পরপরই ০১৭৬৯৭০২৬৪০ নম্বর থেকে ‘তারেক’ নামের এক ব্যক্তি ওসির মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন। ওই ব্যক্তি নিজেকে নৌবাহিনীর কমান্ডার হিসেবে পরিচয় দেন। ফোনালাপে তিনি মোক্তার হোসেনকে গ্রেপ্তারের কারণ জানতে চান। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা না থাকলে কেন তাকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব আলম বলেন, মোক্তার হোসেন নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের সদস্য। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাত ৮টার দিকে পিলকুনি জোড়া মসজিদ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, গ্রেপ্তারের পর একজন ব্যক্তি নৌবাহিনীর কমান্ডার পরিচয় দিয়ে ফোন করে মোক্তারকে কেন গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট না থাকলে কেন তাকে আটক করা হয়েছে—এসব বিষয়ে জানতে চান।
নৌবাহিনীর কমান্ডার পরিচয়ে ফোন করা ব্যক্তির পরিচয় বা তিনি সত্যিই নৌবাহিনীর সদস্য কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের সদস্য মোক্তার হোসেনকে গ্রেপ্তারের পর তাকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নৌবাহিনীর কমান্ডার পরিচয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলমের কাছে ফোন দেওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ফতুল্লার পিলকুনি জোড়া মসজিদ এলাকা থেকে মোক্তার হোসেনকে আটক করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পরপরই ০১৭৬৯৭০২৬৪০ নম্বর থেকে ‘তারেক’ নামের এক ব্যক্তি ওসির মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন। ওই ব্যক্তি নিজেকে নৌবাহিনীর কমান্ডার হিসেবে পরিচয় দেন। ফোনালাপে তিনি মোক্তার হোসেনকে গ্রেপ্তারের কারণ জানতে চান। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা না থাকলে কেন তাকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব আলম বলেন, মোক্তার হোসেন নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের সদস্য। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাত ৮টার দিকে পিলকুনি জোড়া মসজিদ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, গ্রেপ্তারের পর একজন ব্যক্তি নৌবাহিনীর কমান্ডার পরিচয় দিয়ে ফোন করে মোক্তারকে কেন গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট না থাকলে কেন তাকে আটক করা হয়েছে—এসব বিষয়ে জানতে চান।
নৌবাহিনীর কমান্ডার পরিচয়ে ফোন করা ব্যক্তির পরিচয় বা তিনি সত্যিই নৌবাহিনীর সদস্য কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন