নারায়ণগঞ্জ শহরের আমলাপাড়া এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে লিটন (৪০) নামে এক নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে নারায়ণগঞ্জ স্পেশালাইজড হাসপাতালের পেছনের এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হাসপাতালের পেছনে একজনের মরদেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় সদর থানা পুলিশ। পরে মরদেহের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালিয়ে জানা যায়, নিহত ব্যক্তি লিটন।
নিহত লিটন নারায়ণগঞ্জ সদর থানার দেওভোগ পাক্কা রোড এলাকায় আলম সাহেবের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। তিনি চাঁদপুর সদর থানার বাসিন্দা এবং মৃত ইউনুস মিয়ার ছেলে।
নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হাসপাতালের পেছনে আব্রাহাম ডেভেলপার কোম্পানির নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে গিয়ে লিটনের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের পর আরও স্পষ্ট হবে।
ঘটনার পর পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
নিহতের ভাগিনা আলমগীর হোসেন জানান, লিটন আগে একটি এমব্রয়ডারি কারখানায় কাজ করতেন। প্রায় ছয় মাস আগে তিনি নির্মাণশ্রমিকের কাজ শুরু করেন। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে ছুটে আসেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং মৃত্যুর বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ শহরের আমলাপাড়া এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে লিটন (৪০) নামে এক নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে নারায়ণগঞ্জ স্পেশালাইজড হাসপাতালের পেছনের এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হাসপাতালের পেছনে একজনের মরদেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় সদর থানা পুলিশ। পরে মরদেহের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালিয়ে জানা যায়, নিহত ব্যক্তি লিটন।
নিহত লিটন নারায়ণগঞ্জ সদর থানার দেওভোগ পাক্কা রোড এলাকায় আলম সাহেবের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। তিনি চাঁদপুর সদর থানার বাসিন্দা এবং মৃত ইউনুস মিয়ার ছেলে।
নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হাসপাতালের পেছনে আব্রাহাম ডেভেলপার কোম্পানির নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে গিয়ে লিটনের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের পর আরও স্পষ্ট হবে।
ঘটনার পর পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
নিহতের ভাগিনা আলমগীর হোসেন জানান, লিটন আগে একটি এমব্রয়ডারি কারখানায় কাজ করতেন। প্রায় ছয় মাস আগে তিনি নির্মাণশ্রমিকের কাজ শুরু করেন। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে ছুটে আসেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং মৃত্যুর বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন