সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ থাকা হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে চার নিখোঁজের সন্ধান শেষ হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মেঘনা নদীর শাখা মারিখালি নদী থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
এর আগে শনিবার সকালে একই ঘটনায় নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের তিন সন্তান সজিব, সামিয়া ও শিশু সামিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ট্রলারে থাকা একই পরিবারের চারজন নিখোঁজ ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার শ্রীমন্দী গ্রামের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে স্বজনদের নিয়ে ট্রলারে করে সোনারগাঁয়ের সোনাময়ী গ্রামের দিকে রওনা হন তারা। পথে বৈদ্যেরবাজার এলাকার কাছাকাছি পৌঁছালে বৈরী আবহাওয়া ও ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি উল্টে যায়।
ট্রলারডুবির পর স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেন। এ সময় আটজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও রাশিদা নামে এক নারীকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে হেলাল উদ্দিন ও তাঁর তিন সন্তান নিখোঁজ থাকেন।
নিখোঁজদের সন্ধানে পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ যৌথভাবে মেঘনা নদী ও আশপাশের এলাকায় উদ্ধার অভিযান চালায়। কয়েক দফা তল্লাশির পর সোমবার দুপুরে মারিখালি নদী থেকে হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জাহেদ চৌধুরী জানান, হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে নিখোঁজদের সন্ধানে পরিচালিত যৌথ উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত হয়েছে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ থাকা হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে চার নিখোঁজের সন্ধান শেষ হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মেঘনা নদীর শাখা মারিখালি নদী থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
এর আগে শনিবার সকালে একই ঘটনায় নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের তিন সন্তান সজিব, সামিয়া ও শিশু সামিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ট্রলারে থাকা একই পরিবারের চারজন নিখোঁজ ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার শ্রীমন্দী গ্রামের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে স্বজনদের নিয়ে ট্রলারে করে সোনারগাঁয়ের সোনাময়ী গ্রামের দিকে রওনা হন তারা। পথে বৈদ্যেরবাজার এলাকার কাছাকাছি পৌঁছালে বৈরী আবহাওয়া ও ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি উল্টে যায়।
ট্রলারডুবির পর স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেন। এ সময় আটজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও রাশিদা নামে এক নারীকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে হেলাল উদ্দিন ও তাঁর তিন সন্তান নিখোঁজ থাকেন।
নিখোঁজদের সন্ধানে পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ যৌথভাবে মেঘনা নদী ও আশপাশের এলাকায় উদ্ধার অভিযান চালায়। কয়েক দফা তল্লাশির পর সোমবার দুপুরে মারিখালি নদী থেকে হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জাহেদ চৌধুরী জানান, হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে নিখোঁজদের সন্ধানে পরিচালিত যৌথ উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন