শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ধরনের শঙ্কার কারণ নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ। নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব পালনে প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলগুলো তাদের পাশে থাকবে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সভাকক্ষে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন অধ্যাপক মামুন মাহমুদ।
তিনি বলেন, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের অনেকের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ ও ভয়ভীতি তৈরি হয়েছিল। তবে সেই সময়ও নারায়ণগঞ্জে কোনো সাম্প্রদায়িক ঘটনা ঘটেনি। অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জেলা হিসেবে নারায়ণগঞ্জের যে ঐতিহ্য রয়েছে, এবারও তা অক্ষুণ্ন থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
মামুন মাহমুদ বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। তারা যেন কোনো ধরনের ভয় বা আতঙ্ক ছাড়াই পূজা-অর্চনা করতে পারেন, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি। নিরাপত্তাহীনতা থাকলে উৎসবের আনন্দ ও ধর্মীয় কার্যক্রমে স্বাভাবিকভাবে মনোনিবেশ করা সম্ভব হবে না।
তিনি বলেন, “সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাইদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় অনুষ্ঠান যেন তারা নির্ভয়ে, নিরাপদে পালন করতে পারেন, আমরা তাদের পাশে থাকব। ভয়ভীতি থাকলে তারা পূজা-অর্চনায় মনোনিবেশ করতে পারবেন না, আতঙ্কে থাকবেন। সুতরাং আমরা তাদের পাশে ঢাল হয়ে থাকব।”
নারায়ণগঞ্জে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রেখে আসন্ন দুর্গোৎসব সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক।
জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতিমূলক সভায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাসনিম আক্তারসহ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ধরনের শঙ্কার কারণ নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ। নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব পালনে প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলগুলো তাদের পাশে থাকবে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সভাকক্ষে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন অধ্যাপক মামুন মাহমুদ।
তিনি বলেন, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের অনেকের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ ও ভয়ভীতি তৈরি হয়েছিল। তবে সেই সময়ও নারায়ণগঞ্জে কোনো সাম্প্রদায়িক ঘটনা ঘটেনি। অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জেলা হিসেবে নারায়ণগঞ্জের যে ঐতিহ্য রয়েছে, এবারও তা অক্ষুণ্ন থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
মামুন মাহমুদ বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। তারা যেন কোনো ধরনের ভয় বা আতঙ্ক ছাড়াই পূজা-অর্চনা করতে পারেন, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি। নিরাপত্তাহীনতা থাকলে উৎসবের আনন্দ ও ধর্মীয় কার্যক্রমে স্বাভাবিকভাবে মনোনিবেশ করা সম্ভব হবে না।
তিনি বলেন, “সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাইদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় অনুষ্ঠান যেন তারা নির্ভয়ে, নিরাপদে পালন করতে পারেন, আমরা তাদের পাশে থাকব। ভয়ভীতি থাকলে তারা পূজা-অর্চনায় মনোনিবেশ করতে পারবেন না, আতঙ্কে থাকবেন। সুতরাং আমরা তাদের পাশে ঢাল হয়ে থাকব।”
নারায়ণগঞ্জে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রেখে আসন্ন দুর্গোৎসব সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক।
জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতিমূলক সভায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাসনিম আক্তারসহ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন