নারায়ণগঞ্জে হকারদের সাম্প্রতিক মিছিলের সঙ্গে গণসংহতি আন্দোলনের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির জেলা সমন্বয়কারী তারিকুল সুজন। সোমবার (২০ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা জানান।
বিবৃতিতে তারিকুল সুজন বলেন, গত ১৩ এপ্রিল হকার উচ্ছেদ কার্যক্রমে সমর্থন দেওয়া ছিল দলীয় সিদ্ধান্ত। সে সময় গণসংহতি আন্দোলনের জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দসহ ছাত্র ফেডারেশনের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০ এপ্রিল ‘নারায়ণগঞ্জ জেলা হকার ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে যে মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে, তার সঙ্গে গণসংহতি আন্দোলনের কোনো সম্পর্ক নেই। ওই ব্যানারের নেতৃত্বে থাকা অঞ্জন দাস ১৩ এপ্রিলের কর্মসূচিতে হকার উচ্ছেদের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছিলেন এবং গণমাধ্যমেও সে অনুযায়ী বক্তব্য দিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমান অবস্থান তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, যা দলীয় নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
এ ঘটনায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে অঞ্জন দাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানান তিনি। সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠিত জেলা কমিটির সভায় এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
তারিকুল সুজন বলেন, একটি আধুনিক, নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে গণসংহতি আন্দোলন দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। গুম, খুন ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দলটির নেতাকর্মীরা সক্রিয়ভাবে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। তিনি দাবি করেন, নগরবাসীর স্বার্থেই হকার উচ্ছেদ প্রয়োজন, কারণ এতে একটি পরিকল্পিত ও নিরাপদ নারায়ণগঞ্জ গড়ে তোলা সম্ভব।
তিনি আরও যোগ করেন, নগরবাসীর স্বার্থের বাইরে গণসংহতি আন্দোলনের কোনো আলাদা লক্ষ্য নেই; বরং জনগণের স্বার্থই দলটির মূল উদ্দেশ্য।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে হকারদের সাম্প্রতিক মিছিলের সঙ্গে গণসংহতি আন্দোলনের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির জেলা সমন্বয়কারী তারিকুল সুজন। সোমবার (২০ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা জানান।
বিবৃতিতে তারিকুল সুজন বলেন, গত ১৩ এপ্রিল হকার উচ্ছেদ কার্যক্রমে সমর্থন দেওয়া ছিল দলীয় সিদ্ধান্ত। সে সময় গণসংহতি আন্দোলনের জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দসহ ছাত্র ফেডারেশনের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০ এপ্রিল ‘নারায়ণগঞ্জ জেলা হকার ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে যে মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে, তার সঙ্গে গণসংহতি আন্দোলনের কোনো সম্পর্ক নেই। ওই ব্যানারের নেতৃত্বে থাকা অঞ্জন দাস ১৩ এপ্রিলের কর্মসূচিতে হকার উচ্ছেদের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছিলেন এবং গণমাধ্যমেও সে অনুযায়ী বক্তব্য দিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমান অবস্থান তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, যা দলীয় নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
এ ঘটনায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে অঞ্জন দাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানান তিনি। সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠিত জেলা কমিটির সভায় এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
তারিকুল সুজন বলেন, একটি আধুনিক, নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে গণসংহতি আন্দোলন দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। গুম, খুন ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দলটির নেতাকর্মীরা সক্রিয়ভাবে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। তিনি দাবি করেন, নগরবাসীর স্বার্থেই হকার উচ্ছেদ প্রয়োজন, কারণ এতে একটি পরিকল্পিত ও নিরাপদ নারায়ণগঞ্জ গড়ে তোলা সম্ভব।
তিনি আরও যোগ করেন, নগরবাসীর স্বার্থের বাইরে গণসংহতি আন্দোলনের কোনো আলাদা লক্ষ্য নেই; বরং জনগণের স্বার্থই দলটির মূল উদ্দেশ্য।

আপনার মতামত লিখুন