নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনেই বড় ধরনের অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে। বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষায় ভুল প্রশ্নপত্র বিতরণের কারণে কাঁচপুর ওমর আলী উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রের কেন্দ্রসচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ওই কেন্দ্রে মোট ১৭৭ জন শিক্ষার্থী ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিতে শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাত ঘটনাস্থলে গিয়ে হস্তক্ষেপ করলে সঠিক প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয় এবং পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হয়। এ সময় পরীক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে অতিরিক্ত ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার পরপরই কেন্দ্রসচিব আব্দুল মতিন সরকারকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরদিন বুধবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন বাহার স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় ওই কেন্দ্রের ১১ জন কক্ষ পর্যবেক্ষককেও এসএসসি পরীক্ষার সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
অব্যাহতি পাওয়া শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক—শিউলী আক্তার, ফারজানা হোসেন স্বপ্না, মনোয়ারা বেগম, রওনক আরা বেগম, আনিসুর রহমান, ছানোয়ার বেগম, আব্দুল হামিদ, সুমাইয়া আক্তার, মোশারফ হোসেন, বদরুন নাহার ইভা এবং মনিরুজ্জামান।
এদিকে, ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির স্বাক্ষরিত চিঠিতে কেন্দ্রসচিবের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
ইউএনও আসিফ আল জিনাত জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে নতুন কেন্দ্রসচিব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনেই বড় ধরনের অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে। বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষায় ভুল প্রশ্নপত্র বিতরণের কারণে কাঁচপুর ওমর আলী উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রের কেন্দ্রসচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ওই কেন্দ্রে মোট ১৭৭ জন শিক্ষার্থী ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিতে শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাত ঘটনাস্থলে গিয়ে হস্তক্ষেপ করলে সঠিক প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয় এবং পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হয়। এ সময় পরীক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে অতিরিক্ত ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার পরপরই কেন্দ্রসচিব আব্দুল মতিন সরকারকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরদিন বুধবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন বাহার স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় ওই কেন্দ্রের ১১ জন কক্ষ পর্যবেক্ষককেও এসএসসি পরীক্ষার সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
অব্যাহতি পাওয়া শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক—শিউলী আক্তার, ফারজানা হোসেন স্বপ্না, মনোয়ারা বেগম, রওনক আরা বেগম, আনিসুর রহমান, ছানোয়ার বেগম, আব্দুল হামিদ, সুমাইয়া আক্তার, মোশারফ হোসেন, বদরুন নাহার ইভা এবং মনিরুজ্জামান।
এদিকে, ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির স্বাক্ষরিত চিঠিতে কেন্দ্রসচিবের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
ইউএনও আসিফ আল জিনাত জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে নতুন কেন্দ্রসচিব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন