নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত মোঃ রমজান (৪৩) নামে এক ব্যক্তি। তিনি ভবিষ্যতে মাদক ব্যবসা থেকে বিরত থেকে সৎ পথে জীবনযাপন করার অঙ্গীকার করেছেন।
সোমবার (১৮ মে) বন্দর থানায় উপস্থিত হয়ে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবর লিখিত আবেদন জমা দেন মোঃ রমজান। তিনি বন্দর উপজেলার একরামপুর রোডের ইস্পাহানী এলাকার বাসিন্দা।
আত্মসমর্পণপত্রে রমজান উল্লেখ করেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে বন্দর থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে মামলা নং-১৩ (৩)২০২৬ এবং মামলা নং-১১(০৫)২০২৩ উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে আরও প্রায় ১০টি মাদকের মামলা চলমান রয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন।
লিখিত আবেদনে তিনি দাবি করেন, বর্তমানে তিনি কোনো ধরনের মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত নন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হবেন না। পুনরায় মাদক ব্যবসায় জড়িত হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও এলাকাবাসী তার বিরুদ্ধে যে কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে তা মেনে নেবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এছাড়া তিনি ভবিষ্যতে সৎ পথে উপার্জন করে স্বাভাবিক জীবনযাপন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এ ধরনের আত্মসমর্পণ ও পুনর্বাসন উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত মোঃ রমজান (৪৩) নামে এক ব্যক্তি। তিনি ভবিষ্যতে মাদক ব্যবসা থেকে বিরত থেকে সৎ পথে জীবনযাপন করার অঙ্গীকার করেছেন।
সোমবার (১৮ মে) বন্দর থানায় উপস্থিত হয়ে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবর লিখিত আবেদন জমা দেন মোঃ রমজান। তিনি বন্দর উপজেলার একরামপুর রোডের ইস্পাহানী এলাকার বাসিন্দা।
আত্মসমর্পণপত্রে রমজান উল্লেখ করেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে বন্দর থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে মামলা নং-১৩ (৩)২০২৬ এবং মামলা নং-১১(০৫)২০২৩ উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে আরও প্রায় ১০টি মাদকের মামলা চলমান রয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন।
লিখিত আবেদনে তিনি দাবি করেন, বর্তমানে তিনি কোনো ধরনের মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত নন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হবেন না। পুনরায় মাদক ব্যবসায় জড়িত হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও এলাকাবাসী তার বিরুদ্ধে যে কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে তা মেনে নেবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এছাড়া তিনি ভবিষ্যতে সৎ পথে উপার্জন করে স্বাভাবিক জীবনযাপন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এ ধরনের আত্মসমর্পণ ও পুনর্বাসন উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন