গত ১৮ এপ্রিল আনুমানিক বিকাল সাড়ে ৪ টায় মাটির ব্যবসায়ীর কাছে চাওয়া মামুন ডাকাতের গ্যাং ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় মনোয়ার মেম্বার সহ তার সঙ্গীয় দুজনকে বাঁলিগাও সাকিনস্থ মুছাপুর বন্দর ইউনিয়নের আওতাভুক্ত এলাকায় এলোপাতাড়ি ভাবে মনোয়ারকে হত্যার উদ্দেশ্যে প্রায় ১৫/১৬ জন ডাকাত মিলে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করে। মৃত্যু নিশ্চিত মনে করে এবং মনোয়ারের সঙ্গীয় লোকজনের ডাক-চিৎকারে এলাকার জনগণ এগিয়ে আসলে ডাকাত রা পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসীর সহযোগীতায় আহত দের প্রথমে বন্দরস্থ মদনপুর এলাকায় অবস্থিত আল-বারাকা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তার অবস্থার বেগতিক দেখে ঢাকা মেডিকেল কলেজে রেফার করলে পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাকে কয়েকটি অস্ত্রোপচার করে সুস্থতা কামনায় প্রাণপণ চেষ্টা করলেও মনোয়ার এখনো আশংকা জনক অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে এবং মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এলাকাবাসী দুঃখ প্রকাশ করে জানায়, ঘটনার ৩০ দিন অতিবাহিত হলেও মনোয়ার হত্যাচেষ্টাকারী আসামী দের আদৌ গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। মুছাপুরবাসী সংশ্লিষ্ট হত্যাপ্রচেষ্টাকারী দের দ্রুত গ্রেপ্তার এর জন্য সরাষ্ট্রমন্ত্রী,জেলা প্রশাসক,পুলিশ সুপার,র্যাবসহ সংশ্লিষ্ট সকল আইন-শৃংখলা বাহিনী কে অবহিত করলেও অদ্যাবধি পর্যন্ত মামুন ডাকাত সহ মামুন সহযোগীরা কেও গ্রেপ্তার হননি৷ বাদীপক্ষ বাড়োম্বার আইনি সহযোগিতা চাওয়ার পরেও অদৃশ্য কারণে কেও গ্রেপ্তার হয়নি। এদিকে দায়েরকৃত মামলার ৯ নং আসামী (৪০) পিতাঃমৃত ইব্রাহিম ড্রাইভার সাংঃ দক্ষিণ লক্ষনখোলা, বন্দর,নারায়ণগঞ্জ প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা করলেও পুলিশ বা র্যাব কেওই তাকে গ্রেপ্তার করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন না।উল্লেখিত মামলার ৯ নং আসামী ফারুক কেবল একজন ডাকাতই নয়, সে একজন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী, জুয়ারি হিসেবে খ্যাত। উক্ত ফারুখ কে গ্রেপ্তার এর লক্ষ্যে বিভিন্ন সোর্স থেকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই লুৎফর কে বাড়োম্বার ফারুকের অবস্থান অবহিত করলেও এস আই লুৎফর কোনো উদ্যোগ গ্রহন করছেনা বলে জানা যায়।আরো জানা যায়, উক্ত ফারুকের স্ত্রী বন্দরের শীর্ষ মাদক সম্রাজ্ঞী ও নারী পাচারকারী হিসেবে পরিচিত। ফলে তাহার সহিত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অসাধু কর্মকর্তা দের সাথে সক্ষতা থাকায় জনৈক সাথীর মাধ্যমে আসামীগণ দের সকল খবরাখবর পৌছে দিচ্ছে বলে জানা যায়। দক্ষিণ লক্ষনখোলা এলাকাবাসী থেকে জানা যায়, উক্ত ফারুক এবং তার স্ত্রী জনৈক সাথী মাদক ডিলার হিসেবে হরদম মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে এবং যুব সমাজ ধ্বংস করে যাচ্ছে। এদিকে মুছাপুর তথা বন্দর বাসী মনোয়ার মেম্বার এর বিষয়ে আসামী দের দ্রুত গ্রেপ্তার এর লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বঙ্গবন্ধু সড়কস্থ নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করে সুষ্ঠ বিচার দাবিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে। বন্দরবাসীর মনের বক্তব্য পুলিশ ও র্যাব ইচ্ছা করলেই আসামীদের গ্রেপ্তার করতে পারেন। কিন্তু আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর এহেন আচরণে দুঃখ প্রকাশ করছেন।আরো উল্লেখ্য যে, মামুন ডাকাত ও তার সহযোগীরা অর্ধশতাধিক খুন,গুম,ডাকাতি মামলার আসামী।

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
গত ১৮ এপ্রিল আনুমানিক বিকাল সাড়ে ৪ টায় মাটির ব্যবসায়ীর কাছে চাওয়া মামুন ডাকাতের গ্যাং ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় মনোয়ার মেম্বার সহ তার সঙ্গীয় দুজনকে বাঁলিগাও সাকিনস্থ মুছাপুর বন্দর ইউনিয়নের আওতাভুক্ত এলাকায় এলোপাতাড়ি ভাবে মনোয়ারকে হত্যার উদ্দেশ্যে প্রায় ১৫/১৬ জন ডাকাত মিলে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করে। মৃত্যু নিশ্চিত মনে করে এবং মনোয়ারের সঙ্গীয় লোকজনের ডাক-চিৎকারে এলাকার জনগণ এগিয়ে আসলে ডাকাত রা পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসীর সহযোগীতায় আহত দের প্রথমে বন্দরস্থ মদনপুর এলাকায় অবস্থিত আল-বারাকা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তার অবস্থার বেগতিক দেখে ঢাকা মেডিকেল কলেজে রেফার করলে পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাকে কয়েকটি অস্ত্রোপচার করে সুস্থতা কামনায় প্রাণপণ চেষ্টা করলেও মনোয়ার এখনো আশংকা জনক অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে এবং মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এলাকাবাসী দুঃখ প্রকাশ করে জানায়, ঘটনার ৩০ দিন অতিবাহিত হলেও মনোয়ার হত্যাচেষ্টাকারী আসামী দের আদৌ গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। মুছাপুরবাসী সংশ্লিষ্ট হত্যাপ্রচেষ্টাকারী দের দ্রুত গ্রেপ্তার এর জন্য সরাষ্ট্রমন্ত্রী,জেলা প্রশাসক,পুলিশ সুপার,র্যাবসহ সংশ্লিষ্ট সকল আইন-শৃংখলা বাহিনী কে অবহিত করলেও অদ্যাবধি পর্যন্ত মামুন ডাকাত সহ মামুন সহযোগীরা কেও গ্রেপ্তার হননি৷ বাদীপক্ষ বাড়োম্বার আইনি সহযোগিতা চাওয়ার পরেও অদৃশ্য কারণে কেও গ্রেপ্তার হয়নি। এদিকে দায়েরকৃত মামলার ৯ নং আসামী (৪০) পিতাঃমৃত ইব্রাহিম ড্রাইভার সাংঃ দক্ষিণ লক্ষনখোলা, বন্দর,নারায়ণগঞ্জ প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা করলেও পুলিশ বা র্যাব কেওই তাকে গ্রেপ্তার করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন না।উল্লেখিত মামলার ৯ নং আসামী ফারুক কেবল একজন ডাকাতই নয়, সে একজন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী, জুয়ারি হিসেবে খ্যাত। উক্ত ফারুখ কে গ্রেপ্তার এর লক্ষ্যে বিভিন্ন সোর্স থেকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই লুৎফর কে বাড়োম্বার ফারুকের অবস্থান অবহিত করলেও এস আই লুৎফর কোনো উদ্যোগ গ্রহন করছেনা বলে জানা যায়।আরো জানা যায়, উক্ত ফারুকের স্ত্রী বন্দরের শীর্ষ মাদক সম্রাজ্ঞী ও নারী পাচারকারী হিসেবে পরিচিত। ফলে তাহার সহিত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অসাধু কর্মকর্তা দের সাথে সক্ষতা থাকায় জনৈক সাথীর মাধ্যমে আসামীগণ দের সকল খবরাখবর পৌছে দিচ্ছে বলে জানা যায়। দক্ষিণ লক্ষনখোলা এলাকাবাসী থেকে জানা যায়, উক্ত ফারুক এবং তার স্ত্রী জনৈক সাথী মাদক ডিলার হিসেবে হরদম মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে এবং যুব সমাজ ধ্বংস করে যাচ্ছে। এদিকে মুছাপুর তথা বন্দর বাসী মনোয়ার মেম্বার এর বিষয়ে আসামী দের দ্রুত গ্রেপ্তার এর লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বঙ্গবন্ধু সড়কস্থ নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করে সুষ্ঠ বিচার দাবিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে। বন্দরবাসীর মনের বক্তব্য পুলিশ ও র্যাব ইচ্ছা করলেই আসামীদের গ্রেপ্তার করতে পারেন। কিন্তু আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর এহেন আচরণে দুঃখ প্রকাশ করছেন।আরো উল্লেখ্য যে, মামুন ডাকাত ও তার সহযোগীরা অর্ধশতাধিক খুন,গুম,ডাকাতি মামলার আসামী।

আপনার মতামত লিখুন