রাজধানীর ক্রমবর্ধমান পানির চাহিদা পূরণে ভূগর্ভস্থ পানির বিকল্প উৎস হিসেবে মেঘনা নদীর পানি ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নদীর পানি পরিশোধনের মাধ্যমে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বাসিন্দাদের কাছে সরবরাহ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার (৮ জুন) নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার গন্ধর্বপুরে ঢাকা ওয়াসার DESWSP প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন পানি শোধনাগার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর পানির চাহিদা পূরণে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভর করতে হয়েছে। তবে অতিরিক্ত উত্তোলনের কারণে পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে নিচে নেমে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্যই মেঘনা নদীর পানি পরিশোধন করে সরবরাহের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তিনি জানান, প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য এই প্রকল্পের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে প্রকল্পটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, প্রকল্পটি চালু হলে প্রতিদিন প্রায় ৫০ কোটি লিটার বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এছাড়া একই ধরনের আরও একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। সেটি চালু হলে অতিরিক্ত আরও ৫০ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করা যাবে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, দুটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রতিদিন মোট ১০০ কোটি লিটার পরিশোধিত পানি ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বাসিন্দাদের জন্য সরবরাহ করা সম্ভব হবে, যা রাজধানীর পানি সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এর আগে সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট এক সভায় অংশ নেন মন্ত্রী। পরে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে নির্মাণাধীন পানি শোধনাগারের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
রাজধানীর ক্রমবর্ধমান পানির চাহিদা পূরণে ভূগর্ভস্থ পানির বিকল্প উৎস হিসেবে মেঘনা নদীর পানি ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নদীর পানি পরিশোধনের মাধ্যমে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বাসিন্দাদের কাছে সরবরাহ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার (৮ জুন) নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার গন্ধর্বপুরে ঢাকা ওয়াসার DESWSP প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন পানি শোধনাগার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর পানির চাহিদা পূরণে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভর করতে হয়েছে। তবে অতিরিক্ত উত্তোলনের কারণে পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে নিচে নেমে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্যই মেঘনা নদীর পানি পরিশোধন করে সরবরাহের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তিনি জানান, প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য এই প্রকল্পের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে প্রকল্পটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, প্রকল্পটি চালু হলে প্রতিদিন প্রায় ৫০ কোটি লিটার বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এছাড়া একই ধরনের আরও একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। সেটি চালু হলে অতিরিক্ত আরও ৫০ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করা যাবে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, দুটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রতিদিন মোট ১০০ কোটি লিটার পরিশোধিত পানি ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বাসিন্দাদের জন্য সরবরাহ করা সম্ভব হবে, যা রাজধানীর পানি সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এর আগে সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট এক সভায় অংশ নেন মন্ত্রী। পরে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে নির্মাণাধীন পানি শোধনাগারের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

আপনার মতামত লিখুন