মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার পদ্ম হেম ধাম (লালন চর্চা কেন্দ্র)-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম আলোর ফিচার বিভাগের প্রধান ফটোসাংবাদিক কবির হোসেনের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও লালন অনুরাগী অভি হাসান।
গত ২ জুন মঙ্গলবার দুপুরে সিরাজদিখান উপজেলার লতব্দি ইউনিয়নের দোসরপাড়া এলাকায় কবির হোসেন ও তাঁর ছোট ভাই তকবির হোসেনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় গুরুতর আহত কবির হোসেনকে প্রথমে সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দোসরপাড়া এলাকায় কবির হোসেনের প্রতিষ্ঠিত একটি লালন চর্চা কেন্দ্র রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ওই চর্চা কেন্দ্র ও এর জমি দখলের অপচেষ্টা এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকির অভিযোগ ছিল। ঘটনার দিন চর্চা কেন্দ্রের সীমানা বেড়ার কাজ চলাকালে একদল ব্যক্তি হামলা চালায়। এতে কবির হোসেন ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন। তাঁকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তাঁর ভাই তকবির হোসেনও হামলার শিকার হন।
এ ঘটনায় অভি হাসান বলেন, “একজন সংস্কৃতিকর্মী, লালন গবেষক ও লালন প্রেমীর ওপর এ ধরনের ন্যক্কারজনক হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এটি শুধু একজন ব্যক্তির ওপর হামলা নয়, বরং আমাদের লোকজ সংস্কৃতি ও মানবতাবাদী চেতনার ওপর আঘাত। হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “পদ্ম হেম ধাম দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লালন চর্চা কেন্দ্র। এই কেন্দ্রকে ঘিরে পূর্বেও হুমকি ও নাশকতার আশঙ্কার খবর সামনে এসেছে। তাই প্রশাসনের উচিত এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং লালন চর্চা কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।”
অভি হাসান অবিলম্বে হামলাকারীদের বিচারের আওতায় এনে সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও সংস্কৃতিকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।

মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার পদ্ম হেম ধাম (লালন চর্চা কেন্দ্র)-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম আলোর ফিচার বিভাগের প্রধান ফটোসাংবাদিক কবির হোসেনের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও লালন অনুরাগী অভি হাসান।
গত ২ জুন মঙ্গলবার দুপুরে সিরাজদিখান উপজেলার লতব্দি ইউনিয়নের দোসরপাড়া এলাকায় কবির হোসেন ও তাঁর ছোট ভাই তকবির হোসেনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় গুরুতর আহত কবির হোসেনকে প্রথমে সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দোসরপাড়া এলাকায় কবির হোসেনের প্রতিষ্ঠিত একটি লালন চর্চা কেন্দ্র রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ওই চর্চা কেন্দ্র ও এর জমি দখলের অপচেষ্টা এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকির অভিযোগ ছিল। ঘটনার দিন চর্চা কেন্দ্রের সীমানা বেড়ার কাজ চলাকালে একদল ব্যক্তি হামলা চালায়। এতে কবির হোসেন ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন। তাঁকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তাঁর ভাই তকবির হোসেনও হামলার শিকার হন।
এ ঘটনায় অভি হাসান বলেন, “একজন সংস্কৃতিকর্মী, লালন গবেষক ও লালন প্রেমীর ওপর এ ধরনের ন্যক্কারজনক হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এটি শুধু একজন ব্যক্তির ওপর হামলা নয়, বরং আমাদের লোকজ সংস্কৃতি ও মানবতাবাদী চেতনার ওপর আঘাত। হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “পদ্ম হেম ধাম দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লালন চর্চা কেন্দ্র। এই কেন্দ্রকে ঘিরে পূর্বেও হুমকি ও নাশকতার আশঙ্কার খবর সামনে এসেছে। তাই প্রশাসনের উচিত এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং লালন চর্চা কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।”
অভি হাসান অবিলম্বে হামলাকারীদের বিচারের আওতায় এনে সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও সংস্কৃতিকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন