নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়িতে ফতুল্লা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির জিলানী ও যুবদল নেতা মো. মাসুম বিল্লাহর মৃত্যুর ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় জড়িত ড্রাম ট্রাকটি কোরবানির ঈদের বর্জ্য অপসারণের কাজে ব্যবহারের জন্য চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ভাড়ায় এনেছিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক)। এ ঘটনায় ট্রাকচালক নয়নকে খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
গত মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি দশপাইপ এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আব্দুল কাদির জিলানী ও মাসুম বিল্লাহ মোটরসাইকেলে করে একটি নতুন কয়েল ফ্যাক্টরির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। পথে তারা একটি বর্জ্যবাহী ড্রাম ট্রাককে অতিক্রম করার চেষ্টা করলে মোটরসাইকেলটি রাস্তার পাশে জমে থাকা বালুর স্তূপে উঠে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যায়। এ সময় তারা ট্রাকের নিচে চাপা পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
স্থানীয় একটি বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় ট্রাকটির বেপরোয়া গতিতে চলাচলের বিষয়টি উঠে এসেছে বলে জানা গেছে।
নিহত মাসুম বিল্লাহ পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার চাঁদপুরা গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে। তিনি ফতুল্লার শিবু মার্কেট এলাকায় বসবাস করতেন এবং স্থানীয় যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি একটি কয়েল কারখানার মালিক ও কাঁচা তরকারির ব্যবসায়ী ছিলেন।
অন্যদিকে আব্দুল কাদির জিলানী চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুক্তিকান্দি গ্রামের নান্নু খন্দকার ও মাফুজা আক্তারের ছেলে। তিনি ফতুল্লার দেলপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন এবং ফতুল্লা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ শাহআলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুর্ঘটনায় জড়িত ড্রাম ট্রাক ও মোটরসাইকেলটি জব্দ করলেও চালককে পাওয়া যায়নি। পরে তদন্তে জানা যায়, নম্বরবিহীন ওই ড্রাম ট্রাকটি জুবেদ এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের এবং কোরবানির ঈদের বর্জ্য অপসারণের জন্য নাসিক চট্টগ্রাম থেকে এটি ভাড়ায় এনেছিল।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে ট্রাকটি নয়ন নামের এক ব্যক্তি চালাচ্ছিলেন, যিনি জুবেদ এন্টারপ্রাইজের চালক। তাকে শনাক্ত ও আটক করতে পুলিশ কাজ করছে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়িতে ফতুল্লা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির জিলানী ও যুবদল নেতা মো. মাসুম বিল্লাহর মৃত্যুর ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় জড়িত ড্রাম ট্রাকটি কোরবানির ঈদের বর্জ্য অপসারণের কাজে ব্যবহারের জন্য চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ভাড়ায় এনেছিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক)। এ ঘটনায় ট্রাকচালক নয়নকে খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
গত মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি দশপাইপ এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আব্দুল কাদির জিলানী ও মাসুম বিল্লাহ মোটরসাইকেলে করে একটি নতুন কয়েল ফ্যাক্টরির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। পথে তারা একটি বর্জ্যবাহী ড্রাম ট্রাককে অতিক্রম করার চেষ্টা করলে মোটরসাইকেলটি রাস্তার পাশে জমে থাকা বালুর স্তূপে উঠে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যায়। এ সময় তারা ট্রাকের নিচে চাপা পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
স্থানীয় একটি বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় ট্রাকটির বেপরোয়া গতিতে চলাচলের বিষয়টি উঠে এসেছে বলে জানা গেছে।
নিহত মাসুম বিল্লাহ পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার চাঁদপুরা গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে। তিনি ফতুল্লার শিবু মার্কেট এলাকায় বসবাস করতেন এবং স্থানীয় যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি একটি কয়েল কারখানার মালিক ও কাঁচা তরকারির ব্যবসায়ী ছিলেন।
অন্যদিকে আব্দুল কাদির জিলানী চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুক্তিকান্দি গ্রামের নান্নু খন্দকার ও মাফুজা আক্তারের ছেলে। তিনি ফতুল্লার দেলপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন এবং ফতুল্লা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ শাহআলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুর্ঘটনায় জড়িত ড্রাম ট্রাক ও মোটরসাইকেলটি জব্দ করলেও চালককে পাওয়া যায়নি। পরে তদন্তে জানা যায়, নম্বরবিহীন ওই ড্রাম ট্রাকটি জুবেদ এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের এবং কোরবানির ঈদের বর্জ্য অপসারণের জন্য নাসিক চট্টগ্রাম থেকে এটি ভাড়ায় এনেছিল।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে ট্রাকটি নয়ন নামের এক ব্যক্তি চালাচ্ছিলেন, যিনি জুবেদ এন্টারপ্রাইজের চালক। তাকে শনাক্ত ও আটক করতে পুলিশ কাজ করছে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন