কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা এড়াতে নারায়ণগঞ্জজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ ও র্যাবের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যরাও মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সেনাবাহিনীর ছয়টি ইউনিট টহল কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও প্রবেশপথে পুলিশ ও র্যাবের চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। নিরাপত্তা জোরদারে সাদা পোশাকেও বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে—এমন আশঙ্কায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১৭ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত জেলার সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত ছিল। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা জনশৃঙ্খলা বিঘ্নের খবর পাওয়া যায়নি। প্রধান সড়কগুলোতেও যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক ছিল।
এদিকে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য তৎপরতা মোকাবিলায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠন ছাত্রদল এবং যুবদল বিভিন্ন স্থানে অবস্থান কর্মসূচি, মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও মিছিল করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই মনে করছেন, পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং সম্ভাব্য নাশকতা নিয়ে উদ্বেগও কমেছে।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা এড়াতে নারায়ণগঞ্জজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ ও র্যাবের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যরাও মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সেনাবাহিনীর ছয়টি ইউনিট টহল কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও প্রবেশপথে পুলিশ ও র্যাবের চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। নিরাপত্তা জোরদারে সাদা পোশাকেও বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে—এমন আশঙ্কায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১৭ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত জেলার সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত ছিল। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা জনশৃঙ্খলা বিঘ্নের খবর পাওয়া যায়নি। প্রধান সড়কগুলোতেও যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক ছিল।
এদিকে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য তৎপরতা মোকাবিলায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠন ছাত্রদল এবং যুবদল বিভিন্ন স্থানে অবস্থান কর্মসূচি, মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও মিছিল করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই মনে করছেন, পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং সম্ভাব্য নাশকতা নিয়ে উদ্বেগও কমেছে।

আপনার মতামত লিখুন