২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে নারায়ণগঞ্জে ১০ জন নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১২ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এদিন মামলার দ্বিতীয় সাক্ষী হিসেবে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে অংশ নেওয়া এনআরবি মামুন জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তিনি দাবি করেন, ৫ আগস্ট চাষাঢ়া মোড়ে শামীম ওসমানের ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন ওসমানের গুলিতে তার সামনে এক আন্দোলনকারী আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসা না পেয়ে পরদিন ওই ব্যক্তি মারা যান।
জবানবন্দি শেষে রাষ্ট্র নিয়োজিত স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীরা সাক্ষীকে জেরা করেন। সাক্ষীকে জেরা করেন আইনজীবী আমির হোসেন, আলী হায়দার ও মুসতাভী হাসান রাতুল।
মামলায় শামীম ওসমানসহ সব আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। অপর আসামিরা হলেন— শামীম ওসমানের ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন, ভাতিজা আজমেরী ওসমান, অয়নের শ্যালক মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ ভিকি, নারায়ণগঞ্জ রাইফেলস ক্লাবের সাবেক সভাপতি তানভীর আহমেদ টিটু, ডিবিসি নিউজের নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি রাজু আহমেদ, সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু, কামরুল হাসান মুন্না, নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম উদ্দিন আহমেদ, যুবলীগ নেতা শাহাদাত হোসেন সাজনু, ছাত্রলীগ নেতা হাবিবুর রহমান রিয়াদ ও সোহানুর রহমান শুভ।
এর আগে গত ১৩ মে প্রসিকিউশনের দাখিল করা তিনটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে ১২ আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। ১০ জুন সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার চাষাঢ়া, ফতুল্লার সাইনবোর্ডসহ আশপাশের এলাকায় কিশোর আদিল, ইয়াছিন, শিক্ষার্থী পারভেজ, পোশাককর্মী রাসেল ও ছয় বছরের শিশু রিয়াসসহ ছয়জন নিহত হন। এছাড়া ২১ জুলাই ফতুল্লার ভূইগড় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আবদুর রহমান ও মোহাম্মদ রাকিব এবং ৫ আগস্ট বদিউজ্জামান ও আবুল হাসান নিহত হন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের দাখিল করা ফরমাল চার্জ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের অনুপস্থিতিতেই বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তাদের পক্ষে সরকারি খরচে তিনজন আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে নারায়ণগঞ্জে ১০ জন নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১২ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এদিন মামলার দ্বিতীয় সাক্ষী হিসেবে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে অংশ নেওয়া এনআরবি মামুন জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তিনি দাবি করেন, ৫ আগস্ট চাষাঢ়া মোড়ে শামীম ওসমানের ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন ওসমানের গুলিতে তার সামনে এক আন্দোলনকারী আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসা না পেয়ে পরদিন ওই ব্যক্তি মারা যান।
জবানবন্দি শেষে রাষ্ট্র নিয়োজিত স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীরা সাক্ষীকে জেরা করেন। সাক্ষীকে জেরা করেন আইনজীবী আমির হোসেন, আলী হায়দার ও মুসতাভী হাসান রাতুল।
মামলায় শামীম ওসমানসহ সব আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। অপর আসামিরা হলেন— শামীম ওসমানের ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন, ভাতিজা আজমেরী ওসমান, অয়নের শ্যালক মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ ভিকি, নারায়ণগঞ্জ রাইফেলস ক্লাবের সাবেক সভাপতি তানভীর আহমেদ টিটু, ডিবিসি নিউজের নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি রাজু আহমেদ, সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু, কামরুল হাসান মুন্না, নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম উদ্দিন আহমেদ, যুবলীগ নেতা শাহাদাত হোসেন সাজনু, ছাত্রলীগ নেতা হাবিবুর রহমান রিয়াদ ও সোহানুর রহমান শুভ।
এর আগে গত ১৩ মে প্রসিকিউশনের দাখিল করা তিনটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে ১২ আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। ১০ জুন সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার চাষাঢ়া, ফতুল্লার সাইনবোর্ডসহ আশপাশের এলাকায় কিশোর আদিল, ইয়াছিন, শিক্ষার্থী পারভেজ, পোশাককর্মী রাসেল ও ছয় বছরের শিশু রিয়াসসহ ছয়জন নিহত হন। এছাড়া ২১ জুলাই ফতুল্লার ভূইগড় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আবদুর রহমান ও মোহাম্মদ রাকিব এবং ৫ আগস্ট বদিউজ্জামান ও আবুল হাসান নিহত হন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের দাখিল করা ফরমাল চার্জ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের অনুপস্থিতিতেই বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তাদের পক্ষে সরকারি খরচে তিনজন আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন