মাদকের ব্যবহার ও সংরক্ষণ ঠেকাতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে আটজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের নিয়মিত মাদকবিরোধী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে শাহীন বাবুর্চি (৬৫) ও আল আমিন (৫৫)কে যথাক্রমে এক মাস ও দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া সুমন ভূঁইয়া (৩৫) ও মোহাম্মদ খোকন (৪৪)কে দুই মাস ও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সাব্বির মোল্লা শিবির (৩২), হিমেল মিয়া (২২), মোহন আহমেদ (২০) এবং আশিক (২০)—এই চারজনকেও তিন মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
অভিযানে দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে কয়েকজন রূপগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। এছাড়া সোনারগাঁ, আড়াইহাজার ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাও রয়েছেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. আব্দুল্লাহ-বিন-শফিক।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, মাদকের অপব্যবহার ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই মাদকের বিস্তার রোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান ও আইনানুগ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে রূপগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মাদকের ব্যবহার ও সংরক্ষণ ঠেকাতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে আটজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের নিয়মিত মাদকবিরোধী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে শাহীন বাবুর্চি (৬৫) ও আল আমিন (৫৫)কে যথাক্রমে এক মাস ও দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া সুমন ভূঁইয়া (৩৫) ও মোহাম্মদ খোকন (৪৪)কে দুই মাস ও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সাব্বির মোল্লা শিবির (৩২), হিমেল মিয়া (২২), মোহন আহমেদ (২০) এবং আশিক (২০)—এই চারজনকেও তিন মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
অভিযানে দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে কয়েকজন রূপগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। এছাড়া সোনারগাঁ, আড়াইহাজার ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাও রয়েছেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. আব্দুল্লাহ-বিন-শফিক।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, মাদকের অপব্যবহার ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই মাদকের বিস্তার রোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান ও আইনানুগ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে রূপগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন