অল্প জায়গা ও তুলনামূলক কম পুঁজিতে আয়মুখী কাজের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় শুরু হয়েছে মাশরুম চাষ বিষয়ক পাঁচ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় ব্যাচ। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই জীবিকার সুযোগ তৈরিতে Climate Resilient Campus Initiative-এর আওতায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত দ্বিতীয় ব্যাচের প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন মোট ৪৫ জন। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের মাশরুম চাষের আধুনিক ও ব্যবহারিক পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার পাশাপাশি উৎপাদনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি, পরিচর্যা, রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ, উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের বিভিন্ন দিক শেখানো হচ্ছে।
বর্তমান সময়ে সীমিত জমি ও স্বল্প পুঁজিতে আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ বাস্তবতায় মাশরুম চাষকে সম্ভাবনাময় কৃষিভিত্তিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। অল্প জায়গায় তুলনামূলক কম খরচে এর উৎপাদন করা সম্ভব হওয়ায় বেকার ও কর্মপ্রত্যাশীদের জন্য এটি আত্মকর্মসংস্থানের একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হতে পারে।
এ ছাড়া মাশরুম উৎপাদনে কৃষিজমির ওপর অতিরিক্ত চাপ না থাকায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় এটি টেকসই ও সহনশীল জীবিকার একটি সম্ভাবনাময় মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
Climate Resilient Campus Initiative-এর আওতায় তরুণ ও কর্মপ্রত্যাশীদের প্রচলিত চাকরির বাইরে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, মাশরুম চাষ প্রশিক্ষণ তারই অংশ। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের উদ্যোগে মাশরুম উৎপাদন শুরু করার পাশাপাশি পরিবারের আয় বাড়াতেও ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রশিক্ষণার্থীদের বাস্তবমুখী ও আয়মুখী কর্মকাণ্ডে যুক্ত করাই এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আরও বেশি তরুণকে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগের আওতায় আনার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগের মাধ্যমে একদিকে বেকারত্ব কমিয়ে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে, অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে টেকসই ও সহনশীল জীবিকার দিকে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অল্প জায়গা ও তুলনামূলক কম পুঁজিতে আয়মুখী কাজের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় শুরু হয়েছে মাশরুম চাষ বিষয়ক পাঁচ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় ব্যাচ। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই জীবিকার সুযোগ তৈরিতে Climate Resilient Campus Initiative-এর আওতায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত দ্বিতীয় ব্যাচের প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন মোট ৪৫ জন। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের মাশরুম চাষের আধুনিক ও ব্যবহারিক পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার পাশাপাশি উৎপাদনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি, পরিচর্যা, রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ, উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের বিভিন্ন দিক শেখানো হচ্ছে।
বর্তমান সময়ে সীমিত জমি ও স্বল্প পুঁজিতে আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ বাস্তবতায় মাশরুম চাষকে সম্ভাবনাময় কৃষিভিত্তিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। অল্প জায়গায় তুলনামূলক কম খরচে এর উৎপাদন করা সম্ভব হওয়ায় বেকার ও কর্মপ্রত্যাশীদের জন্য এটি আত্মকর্মসংস্থানের একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হতে পারে।
এ ছাড়া মাশরুম উৎপাদনে কৃষিজমির ওপর অতিরিক্ত চাপ না থাকায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় এটি টেকসই ও সহনশীল জীবিকার একটি সম্ভাবনাময় মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
Climate Resilient Campus Initiative-এর আওতায় তরুণ ও কর্মপ্রত্যাশীদের প্রচলিত চাকরির বাইরে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, মাশরুম চাষ প্রশিক্ষণ তারই অংশ। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের উদ্যোগে মাশরুম উৎপাদন শুরু করার পাশাপাশি পরিবারের আয় বাড়াতেও ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রশিক্ষণার্থীদের বাস্তবমুখী ও আয়মুখী কর্মকাণ্ডে যুক্ত করাই এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আরও বেশি তরুণকে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগের আওতায় আনার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগের মাধ্যমে একদিকে বেকারত্ব কমিয়ে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে, অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে টেকসই ও সহনশীল জীবিকার দিকে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন