অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় দিনব্যাপী অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা পুলিশ। এসব অভিযানে বিভিন্ন মামলার ১০৫ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) জেলার বিভিন্ন থানায় পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান, পিপিএম-সেবা’র নির্দেশনায় এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে বিশেষ ও নিয়মিত এসব অভিযান পরিচালিত হয়।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তার হওয়া ১০৫ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ফতুল্লা মডেল থানার এলাকায়। এ ছাড়া বন্দর থানায় ১৮ জন, সোনারগাঁও থানায় ১৭ জন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ১৫ জন, সদর মডেল থানায় ৬ জন, রূপগঞ্জ থানায় ১ জন এবং আড়াইহাজার থানায় ১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্য, মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবী রয়েছেন। পাশাপাশি চুরি, ছিনতাই, দস্যুতা ও ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার আসামি এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত ব্যক্তিদেরও এ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ছাড়া নিয়মিত মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার, মাদকবিরোধী অভিযান এবং আদালতের পরোয়ানা তামিলের জন্য পৃথকভাবে অভিযান পরিচালনা করেছে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ।
জেলা পুলিশ জানিয়েছে, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের কার্যক্রম চলমান থাকবে।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় দিনব্যাপী অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা পুলিশ। এসব অভিযানে বিভিন্ন মামলার ১০৫ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) জেলার বিভিন্ন থানায় পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান, পিপিএম-সেবা’র নির্দেশনায় এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে বিশেষ ও নিয়মিত এসব অভিযান পরিচালিত হয়।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তার হওয়া ১০৫ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ফতুল্লা মডেল থানার এলাকায়। এ ছাড়া বন্দর থানায় ১৮ জন, সোনারগাঁও থানায় ১৭ জন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ১৫ জন, সদর মডেল থানায় ৬ জন, রূপগঞ্জ থানায় ১ জন এবং আড়াইহাজার থানায় ১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্য, মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবী রয়েছেন। পাশাপাশি চুরি, ছিনতাই, দস্যুতা ও ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার আসামি এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত ব্যক্তিদেরও এ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ছাড়া নিয়মিত মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার, মাদকবিরোধী অভিযান এবং আদালতের পরোয়ানা তামিলের জন্য পৃথকভাবে অভিযান পরিচালনা করেছে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ।
জেলা পুলিশ জানিয়েছে, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের কার্যক্রম চলমান থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন