ফতুল্লার তক্কার মাঠ, লালখা সংলগ্ন বরফকল রোড ও রাব্বানীনগর মাদ্রাসা গলিতে মাদক ব্যবসা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে আতঙ্কে রয়েছেন এলাকাবাসী। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব এলাকার একটি অংশে হাবিব নামে এক মাদক ব্যবসায়ীর নেতৃত্বে ইয়াবা, গাজা কেনাবেচা ও মাদক সেবনের আসর বসছে। মাদক ব্যবসার কারণে স্থানীয়দের কাছে তিনি এখন ‘বাবা হাবিব’ নামে পরিচিত।
অভিযোগ রয়েছে, তক্কার মাঠের পাশে ডাইং কারখানার কাপড় শুকানোর মাঠটি দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারিদের নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হয়েছে। সেখানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের কেনাবেচা চলে। একই জায়গায় মাদক সেবনের আসরও বসে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ফলে আশপাশের বাসিন্দা ও পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাব্বানীনগর মাদ্রাসা গলি সংলগ্ন বরফকল রোডে দিনদুপুরেও চলে নানা ধরনের অপকর্ম। বিশেষ করে গার্মেন্টস কারখানা ছুটির সময় ওই সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী শ্রমিকদের টার্গেট করা হয়। দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে টাকা, মোবাইল ফোন ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, হাবিবের সঙ্গে থাকা একদল যুবক ও কিশোর মাদক ব্যবসার পাশাপাশি বিভিন্ন অপরাধে জড়িত। স্থানীয়দের ভাষায়, হাবিবের রয়েছে নিজস্ব ‘ইয়াবা বাহিনী’। তাদের ভয়ে অনেকে প্রকাশ্যে অভিযোগ করতেও সাহস পান না।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে হামলার শিকার হওয়ার ঘটনাও রয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় এক ধরনের ভীতিকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অভিযোগ রয়েছে, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না হওয়ায় তাদের দাপট আরও বেড়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলাজুড়ে সম্প্রতি মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হলেও স্থানীয়দের অভিযোগ, তক্কার মাঠ ও বরফকল রোডে এর তেমন প্রভাব পড়েনি। তাদের প্রশ্ন, ফতুল্লার বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চললেও তক্কার মাঠে কীভাবে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাজার ব্যবসা হয়?
এলাকাবাসীর অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের খবর থাকলেও হাবিব ও তার সহযোগীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। ফলে মাদকবিরোধী অভিযানের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের দাবি, তক্কার মাঠ, লালখা সংলগ্ন বরফকল রোড ও রাব্বানীনগর মাদ্রাসা গলিকে বিশেষ নজরদারির আওতায় এনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হোক। একই সঙ্গে শুধু মাদকসেবী নয়, মাদকের মূল কারবারি, সরবরাহকারী ও তাদের সহযোগীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এসব অভিযোগের বিষয়ে হাবিবের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফতুল্লার তক্কার মাঠ, লালখা সংলগ্ন বরফকল রোড ও রাব্বানীনগর মাদ্রাসা গলিতে মাদক ব্যবসা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে আতঙ্কে রয়েছেন এলাকাবাসী। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব এলাকার একটি অংশে হাবিব নামে এক মাদক ব্যবসায়ীর নেতৃত্বে ইয়াবা, গাজা কেনাবেচা ও মাদক সেবনের আসর বসছে। মাদক ব্যবসার কারণে স্থানীয়দের কাছে তিনি এখন ‘বাবা হাবিব’ নামে পরিচিত।
অভিযোগ রয়েছে, তক্কার মাঠের পাশে ডাইং কারখানার কাপড় শুকানোর মাঠটি দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারিদের নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হয়েছে। সেখানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের কেনাবেচা চলে। একই জায়গায় মাদক সেবনের আসরও বসে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ফলে আশপাশের বাসিন্দা ও পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাব্বানীনগর মাদ্রাসা গলি সংলগ্ন বরফকল রোডে দিনদুপুরেও চলে নানা ধরনের অপকর্ম। বিশেষ করে গার্মেন্টস কারখানা ছুটির সময় ওই সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী শ্রমিকদের টার্গেট করা হয়। দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে টাকা, মোবাইল ফোন ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, হাবিবের সঙ্গে থাকা একদল যুবক ও কিশোর মাদক ব্যবসার পাশাপাশি বিভিন্ন অপরাধে জড়িত। স্থানীয়দের ভাষায়, হাবিবের রয়েছে নিজস্ব ‘ইয়াবা বাহিনী’। তাদের ভয়ে অনেকে প্রকাশ্যে অভিযোগ করতেও সাহস পান না।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে হামলার শিকার হওয়ার ঘটনাও রয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় এক ধরনের ভীতিকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অভিযোগ রয়েছে, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না হওয়ায় তাদের দাপট আরও বেড়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলাজুড়ে সম্প্রতি মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হলেও স্থানীয়দের অভিযোগ, তক্কার মাঠ ও বরফকল রোডে এর তেমন প্রভাব পড়েনি। তাদের প্রশ্ন, ফতুল্লার বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চললেও তক্কার মাঠে কীভাবে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাজার ব্যবসা হয়?
এলাকাবাসীর অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের খবর থাকলেও হাবিব ও তার সহযোগীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। ফলে মাদকবিরোধী অভিযানের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের দাবি, তক্কার মাঠ, লালখা সংলগ্ন বরফকল রোড ও রাব্বানীনগর মাদ্রাসা গলিকে বিশেষ নজরদারির আওতায় এনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হোক। একই সঙ্গে শুধু মাদকসেবী নয়, মাদকের মূল কারবারি, সরবরাহকারী ও তাদের সহযোগীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এসব অভিযোগের বিষয়ে হাবিবের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আপনার মতামত লিখুন