ফতুল্লার মাসদাইর বাজার এলাকায় পুলিশের অভিযানে সেলিম ওরফে ‘কসাই সেলিম’ (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলাসহ ১৫টির বেশি মামলা রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে মাসদাইর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেলিম ওই এলাকার নাসির কসাইয়ের ছেলে।
পুলিশের দাবি, সেলিম ফতুল্লার আলোচিত জাহিদ বাহিনীর সক্রিয় সদস্য এবং বাহিনীর প্রধান জাহিদের অন্যতম সহযোগী। দীর্ঘদিন ধরে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে আসছিল।
ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গাজী শামীম, রফিকুল ইসলাম (বিপিএম) ও নন্দন সরকার সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে মাসদাইর বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের একপর্যায়ে সেলিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সেলিমের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় ইমন হত্যা, অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১৫টির বেশি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল) মো. শামীম বলেন, সেলিমকে দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ খুঁজছিল। মঙ্গলবার দুপুরে মাসদাইর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি জাহিদ বাহিনীর সক্রিয় সদস্য বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
তিনি আরও বলেন, জাহিদ বাহিনীর প্রধান জাহিদসহ ওই বাহিনীর অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফতুল্লার মাসদাইর বাজার এলাকায় পুলিশের অভিযানে সেলিম ওরফে ‘কসাই সেলিম’ (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলাসহ ১৫টির বেশি মামলা রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে মাসদাইর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেলিম ওই এলাকার নাসির কসাইয়ের ছেলে।
পুলিশের দাবি, সেলিম ফতুল্লার আলোচিত জাহিদ বাহিনীর সক্রিয় সদস্য এবং বাহিনীর প্রধান জাহিদের অন্যতম সহযোগী। দীর্ঘদিন ধরে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে আসছিল।
ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গাজী শামীম, রফিকুল ইসলাম (বিপিএম) ও নন্দন সরকার সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে মাসদাইর বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের একপর্যায়ে সেলিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সেলিমের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় ইমন হত্যা, অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১৫টির বেশি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল) মো. শামীম বলেন, সেলিমকে দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ খুঁজছিল। মঙ্গলবার দুপুরে মাসদাইর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি জাহিদ বাহিনীর সক্রিয় সদস্য বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
তিনি আরও বলেন, জাহিদ বাহিনীর প্রধান জাহিদসহ ওই বাহিনীর অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন